দেশের শীর্ষস্থানীয় ১০টি শিল্পগ্রুপের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার, দুর্নীতি, ঘুষ, জালিয়াতি ও কর ফাঁকির অভিযোগে যৌথ অনুসন্ধানে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট গ্রুপগুলোর বিরুদ্ধে অর্থ পাচার, দুর্নীতি ও কর ফাঁকির অভিযোগে দেওয়ানি কার্যধারা (সিভিল প্রসিডিংস) শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তদন্তাধীন গ্রুপগুলো হলো- এস. আলম, বেক্সিমকো, নাবিল, সামিট, ওরিয়ন, জেমকন, নাসা, বসুন্ধরা, সিকদার এবং অ্যারামিট। পাশাপাশি এসব গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রধান ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত আর্থিক বিষয়ও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।
জানা গেছে, সিআইডি, দুদক, এনবিআর, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ), অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়সহ মোট ১১টি সরকারি সংস্থা যৌথভাবে তদন্ত করছে। ব্যাংক ঋণ, তহবিলের প্রবাহ, কর ও শুল্ক ফাঁকি এবং বৈদেশিক বাণিজ্যের মাধ্যমে কথিত অর্থ পাচারের বিষয়গুলো তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। ইতোমধ্যে তদন্তাধীন অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়েছে।
এছাড়া বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদের তথ্য চেয়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, কানাডা ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে ৩ থেকে ৫ বছর সময় লাগতে পারে।


