ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল ইসলামের কলাম

রাজনীতিতে রাজনীতিবিদগণ কেবল একটি দলের নেতা নন, তাঁরা হয়ে ওঠেন একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক সময়ের পরিচিত মুখ। তাঁদের জীবনজুড়ে থাকে আন্দোলন, সংগ্রাম, ক্ষমতার পালাবদল, সাংগঠনিক দায়িত্ব, সংসদীয় রাজনীতি, মন্ত্রিত্ব এবং অসংখ্য রাজনৈতিক বিতর্ক। ওবায়দুল কাদের তেমনই একজন রাজনীতিক যাঁর রাজনৈতিক পথচলা ছাত্রজীবন থেকে শুরু হয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্র পর্যন্ত বিস্তৃত।

ছাত্রজীবন থেকেই তাঁর রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ। ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ও সম্মিলিত ছাত্র-জনতার ১১ দফা আন্দোলনে তাঁর সম্পৃক্ততার কথা জীবনী ও বিভিন্ন জীবনীভিত্তিক সূত্রে উল্লেখ রয়েছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধেও তিনি অংশ নেন এবং নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানা মুজিব বাহিনীর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় তাঁর পথ ছিল আরও কঠিন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর তিনি দীর্ঘ সময় কারাবন্দি ছিলেন। কারাগারে থাকা অবস্থাতেই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্বাচিত হন এবং পরপর দুই মেয়াদে সংগঠনটির নেতৃত্ব দেন।

এখানেই ওবায়দুল কাদেরের রাজনৈতিক চরিত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক দৃশ্যমান হয়। ক্ষমতার বাইরে থেকেও সংগঠনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়নি। বরং কঠিন সময়ের রাজনীতির মধ্য দিয়ে তাঁর সাংগঠনিক পরিচয় আরও দৃঢ় হয়। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করতে করতে তিনি দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখে পরিণত হন।

১৯৯৬ সালে নোয়াখালী-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁর রাজনৈতিক জীবনে নতুন অধ্যায় শুরু হয়। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারে তিনি যুব, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকসহ দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

এরপর আসে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলোর একটি; সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। ২০১১ সালে তিনি যোগাযোগমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন; পরবর্তীতে মন্ত্রণালয়ের পুনর্বিন্যাসের পর সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন।

এই সময়টিই বাংলাদেশের অবকাঠামোগত রূপান্তরের এক উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে থাকার সময় বাংলাদেশের যোগাযোগ অবকাঠামোতে একের পর এক বড় প্রকল্প এগিয়েছে। পদ্মা সেতু, পদ্মা রেল সংযোগ, ঢাকা মেট্রোরেল, এক্সপ্রেসওয়ে, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেতু ও মহাসড়ক উন্নয়ন সব মিলিয়ে বাংলাদেশের যোগাযোগব্যবস্থায় দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে। এসব মেগাপ্রকল্পের পেছনে থাকে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত, মন্ত্রণালয়, প্রকৌশলী, সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, দেশি-বিদেশি অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান এবং হাজার হাজার মানুষের শ্রম। কিন্তু একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রী হিসেবে প্রকল্পের নীতিগত সমন্বয়, প্রশাসনিক তদারকি, বাস্তবায়নের গতি এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বে তাঁর ভূমিকা অস্বীকার করারও সুযোগ নেই।

ঢাকার মেট্রোরেল তার একটি বড় উদাহরণ। মেট্রোরেল নির্মাণকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী হিসেবে ওবায়দুল কাদের উপস্থিত ছিলেন। সরকারি নথিতে প্রকল্পটির ব্যাপকতা, অর্থায়ন এবং ঢাকার যানজট কমানোর লক্ষ্যও উল্লেখ করা হয়েছিল।

একইভাবে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের আওতায় জাতীয় মহাসড়ক, আঞ্চলিক মহাসড়ক, জেলা সড়ক, সেতু, কালভার্ট এবং গণপরিবহন অবকাঠামোর উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ ছিল মন্ত্রণালয়ের সরাসরি দায়িত্বের অংশ।

ফলে ওবায়দুল কাদেরের মন্ত্রিত্বকে শুধু একটি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক দায়িত্ব হিসেবে দেখলে তাঁর সময়ের অবকাঠামোগত পরিবর্তনের বড় অংশই আড়ালে থেকে যায়।

বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নের ইতিহাসে পদ্মা সেতু একটি আলাদা অধ্যায়। এই সেতু বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানী ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনে।

পদ্মা সেতু সরকারের বৃহত্তর উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ ছিল। এর বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব, সেতু কর্তৃপক্ষ, প্রকৌশলী ও অসংখ্য কর্মকর্তা-কর্মচারীর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক নেতৃত্বও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেই সময় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ওবায়দুল কাদের প্রকল্পটির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার অন্যতম রাজনৈতিক মুখ ছিলেন।

পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে যে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছিল, তার সঙ্গে দেশের অবকাঠামোগত সক্ষমতার নতুন ধারণাও যুক্ত হয়।

বাংলাদেশ একসময় যে দেশে বড় সেতু নির্মাণই ছিল বিরাট ঘটনা, সেই দেশেই পরবর্তীতে মেট্রোরেল, এক্সপ্রেসওয়ে, নদীর তলদেশে টানেল এবং বৃহৎ রেল সংযোগের মতো প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সরকারি মেগাপ্রকল্প তালিকায় ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিটের বিভিন্ন লাইনসহ একাধিক বৃহৎ পরিবহন প্রকল্প রয়েছে।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলও বাংলাদেশের যোগাযোগ অবকাঠামোর একটি নতুন মাত্রা। ঢাকা-কেন্দ্রিক যোগাযোগের বাইরে চট্টগ্রামকে ঘিরে অর্থনৈতিক ও বন্দরকেন্দ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার বৃহত্তর পরিকল্পনার সঙ্গে এসব প্রকল্প যুক্ত।

অন্যদিকে পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্প ঢাকার সঙ্গে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। প্রকল্পটির লক্ষ্য ছিল পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত নতুন রেল সংযোগ স্থাপন, যার মূল রুট ও লুপ-সাইডিং মিলিয়ে মোট ট্র্যাকের দৈর্ঘ্য ২১৫ কিলোমিটারের বেশি। এই বিশাল অবকাঠামোগত পরিবর্তনের সময় ওবায়দুল কাদের ছিলেন সরকারের পরিবহন অবকাঠামো খাতের অন্যতম দৃশ্যমান রাজনৈতিক মুখ।

২০১৬ সালে আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় কাউন্সিলে ওবায়দুল কাদের দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরে ২০১৯ এবং ২০২২ সালের জাতীয় কাউন্সিলেও তিনি একই দায়িত্বে বহাল থাকেন। অর্থাৎ টানা তিন মেয়াদে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

সাধারণ সম্পাদক পদটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক ব্যবস্থাপনার কেন্দ্রীয় দায়িত্বগুলোর একটি। এখানে শুধু সংবাদ সম্মেলন বা রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়া নয়, দলের কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সাংগঠনিক যোগাযোগ, কাউন্সিল, কর্মসূচি, দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয় এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দলের অবস্থান তুলে ধরার মতো বহু দায়িত্ব যুক্ত থাকে।

ওবায়দুল কাদেরের রাজনৈতিক জীবনের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য এখানেই। তিনি দীর্ঘদিন একই সঙ্গে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী এবং দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে প্রশাসনিক ও দলীয়- দুই ধরনের রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে তাঁকে একই সময়ে কাজ করতে হয়েছে।

ওবায়দুল কাদেরের রাজনৈতিক ভাষা বাংলাদেশের প্রচলিত রাজনৈতিক বক্তৃতার ধরন থেকে অনেক সময় আলাদা ছিল। তিনি কঠিন রাজনৈতিক বক্তব্যের মাঝেও রসিকতা করতেন, কখনো ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করতেন, কখনো সাংবাদিকদের সঙ্গে সরাসরি ও প্রাণবন্ত ভঙ্গিতে কথা বলতেন। এই বৈশিষ্ট্য তাঁকে যেমন মানুষের কাছে সহজে পরিচিত করেছে, তেমনি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমালোচনারও কারণ হয়েছে।

তাঁর এই স্বতঃস্ফূর্ততাকে একজন রাজনীতিকের স্বাভাবিক মানবিক প্রকাশ হিসেবে দেখেছেন কুটনীতিকগণ। সমালোচকেরা আবার বলেছেন, জাতীয় রাজনীতির গুরুতর মুহূর্তে এমন মন্তব্য কখনো কখনো বিতর্ক তৈরি করেছে। কিন্তু রাজনীতিতে জনপ্রিয়তার পাশাপাশি বিতর্কও যে দীর্ঘদিনের সঙ্গী, ওবায়দুল কাদেরের রাজনৈতিক জীবন তার একটি বাস্তব উদাহরণ।

ওবায়দুল কাদেরের রাজনৈতিক পরিচয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তাঁর তৃণমূলভিত্তিক রাজনীতি। নোয়াখালী থেকে উঠে এসে জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্বে পৌঁছানো এবং দীর্ঘ সময় দলীয় সাংগঠনিক দায়িত্বে থাকা তাঁকে আওয়ামী লীগের মাঠপর্যায়ের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রেখেছে। তাঁর বক্তৃতায় প্রায়ই দলের কর্মী, সংগঠন ও তৃণমূলের কথা উঠে এসেছে। রাজনৈতিক সংগঠনের শক্তি যে শুধু কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে নয়, বরং ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও মহানগরের কর্মীদের ওপর নির্ভর করে- এই বাস্তবতা তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কাছ থেকে দেখেছেন।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনেক নেতা তাঁদের পোশাক, আচার-আচরণ কিংবা রাজনৈতিক কথাবার্তার ধরন দিয়ে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেন। ওবায়দুল কাদেরের ক্ষেত্রেও বিষয়টি সত্য। তাঁর চলাফেরায় জাঁকজমকের চেয়ে স্বাভাবিকতা বেশি এমন একটি ভাবমূর্তি তাঁর মধ্যে রয়েছে। আবার তাঁর রসবোধ ও কথার ভঙ্গি তাঁকে অন্য অনেক রাজনীতিকের তুলনায় বেশি আলোচিত করেছে। কেউ তাঁকে পছন্দ করেছেন, কেউ তীব্র সমালোচনা করেছেন। কিন্তু দীর্ঘদিন জাতীয় রাজনীতির সামনের সারিতে থাকা একজন নেতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্ভবত এটিই, তিনি জনআলোচনার বাইরে কখনো থাকেননি।

একইভাবে তাঁর রাজনৈতিক জীবন নিয়ে যেমন প্রশংসা রয়েছে, তেমনি বিভিন্ন সময়ে তাঁর বক্তব্য, সিদ্ধান্ত ও সরকারের নীতির সমালোচনাও হয়েছে। একজন দীর্ঘদিনের জাতীয় নেতাকে বুঝতে হলে এই দুই দিকই বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।

ওবায়দুল কাদেরের রাজনৈতিক জীবনকে এক বাক্যে সংজ্ঞায়িত করা কঠিন। তিনি ছাত্ররাজনীতির মাঠ থেকে উঠে আসা একজন দীর্ঘদিনের আওয়ামী লীগ নেতা। তিনি কারাবন্দি হয়েছেন, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দিয়েছেন, সংসদ সদস্য হয়েছেন, প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন, মন্ত্রী হয়েছেন, আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন এবং শেষ পর্যন্ত টানা তিন মেয়াদে দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। মন্ত্রিত্বের দীর্ঘ সময়ে তিনি এমন এক সময়ের অংশ ছিলেন, যখন বাংলাদেশের যোগাযোগ অবকাঠামোতে দৃশ্যমান রূপান্তর ঘটেছে। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, পদ্মা রেল সংযোগ, এক্সপ্রেসওয়ে, টানেল, সেতু ও মহাসড়ক উন্নয়নসহ বহু বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন বা অগ্রসর হয়েছে। তাই ওবায়দুল কাদেরকে শুধু একজন দলীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখলে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের ব্যাপ্তি ধরা পড়ে না। আবার শুধু একজন মন্ত্রী হিসেবেও তাঁকে বিচার করলে তাঁর দীর্ঘ সাংগঠনিক রাজনীতি অদৃশ্য থেকে যায়। তিনি একই সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনীতির একজন পুরোনো যোদ্ধা, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক নেতা, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের একটি দীর্ঘ সময়ের অন্যতম প্রধান মুখ।

রাজনীতির ইতিহাস শেষ পর্যন্ত ব্যক্তিকে বিচার করে তাঁর সময়ের সঙ্গে। সেই বিচারে ওবায়দুল কাদেরের নাম বাংলাদেশের সমকালীন রাজনীতির একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবেই উচ্চারিত হবে।

ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল ইসলাম
লেখক, সংগঠক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version