Close Menu
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
    Monday, August 24 Login
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
    amarDesh24.newsamarDesh24.news
    Demo
    • হোম
    • ব্রেকিং
    • শীর্ষ খবর
    • জাতীয় সাক্ষ্য
    • আন্তর্জাতিক সাক্ষ্য
    • যুদ্ধ
    • খেলাধুলা
    • আরো
      • পডকাস্ট
      • টেক নিউজ
      • বিনোদন
      • যোগাযোগ
    amarDesh24.newsamarDesh24.news
    Home » সকল খবর » ১৫ দিনে ১৭ খুন; ফিরে এসেছে বিএনপির ২০০১-০৬ সালের অন্ধকার যুগ
    ব্রেকিং

    ১৫ দিনে ১৭ খুন; ফিরে এসেছে বিএনপির ২০০১-০৬ সালের অন্ধকার যুগ

    Desk ReportBy Desk ReportAugust 24, 2026No Comments29,798 Views
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn WhatsApp Email Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email WhatsApp Copy Link

    আদিত্য প্রতাপ ঘোষের কলাম

    মাত্র ১৫ দিনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ১৭ জন নিরীহ মানুষের মৃত্যু। কোথাও আধিপত্যের দ্বন্দ্ব, কোথাও মাদক ও চাঁদাবাজি, কোথাও কিশোর গ্যাং, কোথাও সম্পত্তি বিরোধ, আবার কোথাও ডাকাতি ও লুট। এর সঙ্গে বিএনপি সরকারের ১৮০ দিনের ‘সাফল্যে’র তালিকায় উঠে আসছে ৯০০ এর বেশি টেক্সটাইল মিল বন্ধ, ৮৩০টি রাজনৈতিক সহিংসতা, ধর্ষণের শিকার ৪০৪ জন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট এবং চাঁদাবাজির দাপট। প্রশ্ন একটাই, বাংলাদেশকে কেন বিএনপি আবার ফিরিয়ে নিচ্ছে তাদের সেই পুরোনো অন্ধকারে?

    ৯ থেকে ২৩ আগস্ট, মাত্র ১৫ দিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একের পর এক হত্যাকাণ্ডের চিত্র সামনে এসেছে। প্রতিটি মৃত্যুর পেছনে রয়েছে একটি পরিবার, একটি জীবিকা, একটি সামাজিক সম্পর্ক এবং অপূরণীয় শূন্যতা। সব ঘটনা পাশাপাশি রাখলে প্রশ্ন উঠতেই পারে, বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?

    আইন আছে, আইনের শাসন কোথায়? একটি রাষ্ট্রে আইন শুধু বইয়ের পাতায় থাকার বিষয় নয়। আইনের শক্তি তখনই প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করেন, তাঁর ওপর হামলা হলে রাষ্ট্র তাঁকে রক্ষা করবে এবং অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক, তাকে আইনের মুখোমুখি হতে হবে। কিন্তু হত্যা, হামলা, লুট, চাঁদাবাজি, মাদক, কিশোর গ্যাং ও রাজনৈতিক আধিপত্যের সংঘাত মানুষের সেই আস্থাকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে। বাংলাদেশে আইন আছে, কিন্তু আইনের কার্যকর প্রয়োগ কোথায়? অপরাধীর মনে আইনের ভয়ই বা কতটা আছে?

    ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের সেই অন্ধকার আবার ফিরছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়কাল নিয়ে ভয় আজও তীব্র। ওই সময়ের সন্ত্রাস, রাজনৈতিক সহিংসতা, জঙ্গিবাদ, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক দলীয়করণের সর্বোচ্চ জায়গায় পৌছেছিল বিএনপি। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা এবং ২০০৫ সালের ১৭ আগস্টের সিরিজ বোমা হামলার মতো ঘটনা সেই সময়ের ইতিহাসে গভীর ছাপ রেখে গেছে।

    আজ যখন একদিকে হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিকতা, অন্যদিকে রাজনৈতিক সহিংসতা, চাঁদাবাজি, শিল্পকারখানা বন্ধ, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট এবং নারীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কথা সামনে আসে, তখন অতীতের সঙ্গে বর্তমানের তুলনা শুরু হওয়া অস্বাভাবিক নয়। প্রশ্ন হলো, রাষ্ট্র কি আবার এমন একটি পরিবেশের দিকে যাচ্ছে, যেখানে অপরাধীরা বেপরোয়া আর সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীন?

    বিএনপি সরকারের ১৮০ দিনের ‘সাফল্যে’র একটা দিক দেখুন। একটি সরকারের সাফল্য সাধারণত শিল্প উৎপাদন, কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ, বিদ্যুৎ সরবরাহ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও মানুষের জীবনমান দিয়ে বিচার করা হয়। কিন্তু বিএনপির ১৮০ দিনের হিসাব যেন উল্টো একটি চিত্র তুলে ধরে। ৯০০ এর বেশি টেক্সটাইল মিল বন্ধ। ৮৩০টি রাজনৈতিক সহিংসতা। ধর্ষণের শিকার ৪০৪ জন। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট। চাঁদাবাজির দাপট। এগুলো নিছক সংখ্যা নয়। এগুলো একটি সরকারের ১৮০ দিনের শাসনব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করে।

    টেক্সটাইল শিল্পে শত শত কারখানা বন্ধ হলে তার প্রভাব শুধু মালিকের ওপর পড়ে না। শ্রমিকের চাকরি যায়, পরিবারের আয় কমে এবং অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়। রাজনৈতিক সহিংসতা বাড়লে ক্ষতিগ্রস্ত হয় স্বাভাবিক জীবন। ধর্ষণের প্রতিটি ঘটনা রাষ্ট্রের কাছে নারীর নিরাপত্তার কঠিন প্রশ্ন তোলে। আর গ্যাস, বিদ্যুৎ সংকট ও চাঁদাবাজি সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও ব্যবসাকে আঘাত করে।

    বর্তমান বিএনপি সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব নাগরিকের জানমাল, কর্মসংস্থান ও স্বাভাবিক জীবন নিশ্চিত করা। অর্থনীতি, শিল্প, বিদ্যুৎ এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাও সরকারের দায়িত্ব। যদি ১৮০ দিনের হিসাবেই শিল্প বন্ধ, রাজনৈতিক সহিংসতা, নারী নির্যাতন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট এবং চাঁদাবাজির মতো একাধিক সংকট সামনে আসে, তাহলে সরকারকে কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি হতেই হবে। পতনের রাঙাচোখ দেখা যাচ্ছে।

    বিএনপি সরকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছেনা। শিল্প ও কর্মসংস্থান রক্ষা করতে পারছেনা। চাঁদাবাজি ও অপরাধীচক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারছেনা। এই ব্যর্থতার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দায়ও বিএনপি সরকারেরই।

    ১৫ দিনে ১৭ প্রাণ খুন, ১৭টি সতর্কবার্তা। হত্যাকাণ্ডগুলোর সম্ভাব্য কারণের মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক বা আধিপত্যের দ্বন্দ্ব, মাদক, জুয়া ও ইয়াবা কারবারে বাধা, কিশোর গ্যাং, সংঘবদ্ধ অপরাধ, সম্পত্তি বিরোধ এবং ডাকাতি ও লুট। অপরাধের ধরন আলাদা হলেও পরিণতি একই। একটি করে জীবন শেষ হয়ে গেছে। আর সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো অপরাধীর মনে আইনের ভয় কমে যাওয়া। নিহতদের সবাই ক্ষমতাবান ছিলেন না। কেউ ছিলেন শিক্ষক, কেউ ব্যবসায়ী, কেউ দোকানি, কেউ একটি পরিবারের বাবা বা মা। তাই প্রশ্নটি খুব সরল, একজন সাধারণ মানুষ আজ কার কাছে নিরাপত্তা খুঁজতে যাবে?

    জনমিতিক এক পরিসংখ্যান বলছে প্রতি ১০০ জন সাধারণ মানুষের মধ্যে ৯৩ জন জানিয়েছেন, তাঁরা আগে ভালো ছিলেন এবং শেখ হাসিনাকেই আবার বাংলার মসনদে দেখতে চান। কারণ মানুষ যখন বর্তমানের সঙ্গে অতীতের তুলনা করে এবং বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ বলে, “আগে ভালো ছিলাম”, তখন সেটিকে শুধু রাজনৈতিক স্লোগান হিসেবে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এটা আবারো আশু পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। এটি নিরাপত্তা, জীবনযাত্রা, অর্থনীতি, সামাজিক স্থিতিশীলতা ও রাষ্ট্রের প্রতি আস্থার জায়গা থেকে তৈরি হওয়া অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশও হতে পারে।

    শেখ হাসিনাকে ফেরানোর আকাঙ্ক্ষা এখন চূড়ান্ত। জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ৯৩ শতাংশ মানুষ শেখ হাসিনাকে আবার রাষ্ট্রক্ষমতায় দেখতে চান। এই দাবি বৃহত্তর জনমতের প্রতিফলন এবং এর রাজনৈতিক তাৎপর্য গভীর। কারণ শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনামলে বিদ্যুৎ, অবকাঠামো, যোগাযোগ, সামাজিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির বহুত অর্জনের সুফলভোগী এখনো সাধারণ মানুষ। অন্যদিকে বর্তমান পরিস্থিতিতে মানুষ যদি হত্যাকাণ্ড, চাঁদাবাজি, রাজনৈতিক সংঘাত, শিল্প বন্ধ, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটকে নিজেদের বাস্তবতা হিসেবে দেখতে শুরু করে, তাহলে অতীতের সঙ্গে তুলনা করাটাও স্বাভাবিক।

    স্পষ্টতই বলা যায়, এই খুন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, শিল্প বন্ধ এবং নিরাপত্তাহীনতার বাস্তবতা থেকে বাংলার মানুষ মুক্তি চায়। তারা এমন একটি রাষ্ট্র চায়, যেখানে রাতের রাস্তায় চলতে ভয় থাকবে না, ব্যবসা করতে চাঁদাবাজের ভয় থাকবে না, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে জীবন হুমকিতে পড়বে না, শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে কর্মসংস্থান নষ্ট হবে না এবং অপরাধী যত ক্ষমতাবানই হোক, আইনের হাত থেকে রেহাই পাবে না।

    ১৫ দিনে ১৭টি মৃত্যু হয়তো একটি সংখ্যা। কিন্তু সেই সংখ্যার ভেতরে রয়েছে ১৭টি পরিবার, ১৭টি অসমাপ্ত জীবন এবং অসংখ্য স্বজনের কান্না। তার সঙ্গে যদি ১৮০ দিনের হিসাবও সামনে রাখা হয়, যেখানে ৯০০ এর বেশি টেক্সটাইল মিল বন্ধ, ৮৩০টি রাজনৈতিক সহিংসতা, ৪০৪ জন ধর্ষণের শিকার, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট এবং চাঁদাবাজির দাপটের কথা বলা হচ্ছে, তাহলে প্রশ্নটি আর শুধু আইনশৃঙ্খলার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। এটি রাষ্ট্র পরিচালনার চূড়ান্ত ব্যর্থতা স্পষ্ট করে দেখায়।

    ১৫ দিনে ১৭ প্রাণ এবং ১৮০ দিনের এই হিসাব তাই শুধু কয়েকটি সংখ্যার সমষ্টি নয়। এগুলো বিএনপি সরকারের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একের পর এক কঠিন প্রশ্ন। ফিরে এসেছে বিএনপির অপশাসনের কুখ্যাত ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের সেই অন্ধকার অধ্যায়। ইতিহাস হুবহু ফিরে আসে না। কিন্তু ইতিহাসের ভুল থেকে শিক্ষা না নিলে একই ধরনের সংকট নতুন রূপে ফিরে আসতে পারে।

    বাংলার মানুষ নিরাপত্তা চায়। শান্তি চায়। আইনের শাসন চায়। কর্মসংস্থান চায়। শিল্প বাঁচাতে চায়। চাঁদাবাজি থেকে মুক্তি চায়। গ্যাস ও বিদ্যুতের নিশ্চয়তা চায়। আর তারা যদি সত্যিই মনে করে যে আগের সময় ভালো ছিল এবং শেখ হাসিনাকেই আবার বাংলার মসনদে দেখতে চায়, তাহলে সেই আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করার সুযোগ কোনো সরকারেরই নেই। কারণ ক্ষমতার শেষ মালিক জনগণ। মানুষের নিরাপত্তা, আইনের শাসন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং জনআস্থাই একটি সরকারের প্রকৃত সাফল্যের মাপকাঠি; যেখানে বিএনপি চূড়ান্ত ব্যর্থ। তাই বাংলার আপামর জনসাধারণ এক বাক্যেই বারবার শতবার শেখ হাসিনাতেই মুক্তি খুঁজছে। বাংলার মানুষ তাদের সোনার কন্যার অপেক্ষায় প্রহর গুনছে।

    আদিত্য প্রতাপ ঘোষ
    লেখক, ব্লগার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Telegram Email WhatsApp Copy Link
    Leave A Reply Cancel Reply

    শীর্ষ খবর

    ছয় মাসেই জনআস্থার শূন্যে বিএনপি

    August 18, 202675,967

    ভারতে শেখ হাসিনার নিরাপত্তায় নজিরবিহীন সুরক্ষাবলয়; ‘প্রেসিডেন্ট প্রোটোকল’ সমমানের নিরাপত্তা- তদারকিতে অজিত দোভাল

    August 4, 202669,438

    ওবায়দুল কাদেরঃ রাজনীতির দীর্ঘ পথের এক নির্মাণশীল অধ্যায়

    August 12, 202649,820

    গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার বক্তব্যে ভারত সরকারের কোনো বাধা নেই: এফসিসি সভাপতি

    August 3, 202648,641
    ব্রেকিং নিউজ
    ব্রেকিং

    এলএনজি চুক্তি: জ্বালানি নিরাপত্তার নামে দ্বিগুণ দামের বোঝা নাকি দুর্নীতির পুকুরচুরি?

    August 24, 2026522

    বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য LNG আমদানি জরুরি হলেও নতুন একটি চুক্তির মূল্য নিয়ে উঠেছে গুরুতর…

    পুরোনো রাস্তা সংস্কারে পুকুরচুরি: ৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে পরামর্শক ফিই ১৪ কোটি

    August 24, 2026

    বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অক্সিজেন সংকট: এক রাতেই সাড়ে ১৫ কোটি টাকার মাছের মড়ক

    August 24, 2026

    রংপুরে চার হত্যা: পুলিশের বয়ানে প্রশ্ন, আসল খুনি কে?

    August 24, 2026
    অনুসরণ করুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Pinterest
    • Instagram
    • YouTube
    • Vimeo
    আবহাওয়া
    Powered by Tomorrow.io
    নামাজের সময়
    আমাদের সম্পর্কে
    আমাদের সম্পর্কে

    আমারদেশ২৪.নিউজ একটি বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য অনলাইন সংবাদমাধ্যম, যা দ্রুত সময়ে সঠিক ও সর্বশেষ খবর পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেয়। আমরা আপসহীন সাংবাদিকতার মাধ্যমে সমাজের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করি।

    নিরপেক্ষতা, সত্য ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমরা বিশ্বাস করি, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাই একটি সচেতন সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    যোগাযোগ

    ইমেইল: admin@amardesh24.news

    ঠিকানা: বাড়ি-১৩/বি, রোড – ৮, লেক সাইড, বারিধারা ডিওএইচএস, ঢাকা, বাংলাদেশ

    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
    মেনু
    • আন্তর্জাতিক সাক্ষ্য
    • খেলাধুলা
    • জাতীয় সাক্ষ্য
    • টেক নিউজ
    • পডকাস্ট
    • বিদেশী মিডিয়ার হাইলাইটস
    • বিনোদন
    • ব্রেকিং
    • যুদ্ধ
    • শীর্ষ
    © amarDesh24.news. All rights reserved.
    • সকল খবর
    • যোগাযোগ
    • লগইন
    • অ্যাকাউন্ট
    • ড্যাশবোর্ড

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    Sign In or Register

    Welcome Back!

    Login to your account below.

    Lost password?