দেশের কারাগার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মৃত্যুর ধারাবাহিক ঘটনা নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। গত দুই বছরে কারাগারে ২২৭ জন আওয়ামী লীগের কর্মীর মৃত্যুর তথ্য সামনে এসেছে। এর মধ্যে অন্তত ৪০ জন আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা ছিলেন বলে তথ্য দিয়েছে মানবাধিকার সাংস্কৃতিক ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)।
২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ৬ই জুলাই পর্যন্ত কারা হেফাজতে ২২৭ জন এবং পুলিশ হেফাজতে আরও ৩০ জন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে এমএসএফ। সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, মৃতদের মধ্যে ৪০ জন ছিলেন আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাকর্মী। এর মধ্যে ২০২৪ সালে ৩ জন, ২০২৫ সালে ২২ জন এবং ২০২৬ সালের জুলাইয়ের শুরু পর্যন্ত আরও ১৫ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী কারাগারে হত্যার শিকার হয়েছেন। একই সময়ে পুলিশ হেফাজতে প্রাণ হারিয়েছেন দলটির আরও অন্তত ৩০ জন নেতাকর্মী।
তবে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) জানিয়েছে, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত কারাগারে অন্তত ১৯০ জন বন্দির মৃত্যু হয়েছে। তাদের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্ট-ডিসেম্বরে ২৪ জন, ২০২৫ সালে ১০৭ জন এবং ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ৫৯ জন বন্দি মারা যান। একই সময়ে গ্রেপ্তারের পর নির্যাতনের অভিযোগে ২২ জনের মৃত্যুর তথ্যও নথিভুক্ত করেছে সংস্থাটি। এরা সবাই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ছিলেন।


