শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাঁর সমর্থনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমে আসবে এবং সেই জনস্রোত ঠেকানো সরকারের জন্য কঠিন হয়ে পড়বে।
শেখ হাসিনা দেশে ফেরার দিন কৃষক থেকে শুরু করে শ্রমিক, রিকশাচালক, পরিবহনশ্রমিক, ব্যবসায়ী, দোকানি, শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁর সমর্থনে রাস্তায় নেমে আসতে পারেন। এতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়।
কৃষক কৃষিকাজ রেখে রাজপথে আসবেন, রিকশাচালক ও পরিবহনশ্রমিকরা যানবাহন থামিয়ে মিছিলে যোগ দেবেন। শ্রমিকরা কারখানার কাজ বন্ধ করে এবং ব্যবসায়ী ও দোকানিরা নিজেদের অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক নিরাপত্তার দাবিতে রাজপথে অবস্থান নেবেন।
এ ছাড়া শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষার্থী এবং কবি, সাহিত্যিক, সংস্কৃতিকর্মী ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশাজীবীও শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে রাজপথে আসবেন। সাধারণ মানুষও স্বাভাবিক জীবন ও নিরাপত্তার প্রত্যাশায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁর পক্ষে অবস্থান নেবে।
বক্তব্যে পুলিশের প্রসঙ্গও উঠে আসে। সেখানে দাবি করা হয়, পুলিশের একাংশ তাদের নিহত সহকর্মী, বন্ধু ও স্বজনদের হত্যার বিচারের প্রত্যাশায় পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে থাকবে।
শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের দিন যদি বিপুলসংখ্যক মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে আসে, তাহলে সেই জনসমাগম প্রতিহত করা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।


