নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কৃষকদের দোরগোড়ায় কৃষিসেবা পৌঁছে দিতে নির্মিত কোটি টাকার বীজ সংরক্ষণাগার (সিড স্টোর) ভবনগুলো বছরের পর বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভবনগুলো জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে, ফলে সরকারি সম্পদের অপচয়ের পাশাপাশি কৃষকরাও বঞ্চিত হচ্ছেন কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে।
অধিকাংশ ভবনের দরজা-জানালা ভাঙা, দেয়ালে ফাটল ও ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে। কোথাও চায়ের দোকান, আবার কোথাও ক্যারাম খেলার আড্ডা বসেছে। কৃষকদের অভিযোগ, ভবনগুলো চালু থাকলে ইউনিয়ন পর্যায়েই কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ পাওয়া যেত। এখন সামান্য কাজেও উপজেলা সদরে যেতে হচ্ছে, এতে সময় ও অর্থ দুটোই বেশি ব্যয় হচ্ছে।
বাগাতিপাড়া সদর ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহাতাব উদ্দিন বলেন, ভবনগুলো ব্যবহারযোগ্য থাকলে সেখান থেকেই কৃষকদের সহজে সেবা দেওয়া সম্ভব হতো।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ড. ভবসিন্ধু রায় জানান, পরিত্যক্ত ভবনগুলোর বিষয়ে কৃষি অধিদপ্তরে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। নতুন ভবন নির্মাণের মাধ্যমে সেখানে কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বীজ সংরক্ষণাগার ও কৃষি কর্মকর্তাদের আবাসনের ব্যবস্থা করা গেলে প্রান্তিক কৃষকরা আরও সহজে সেবা পাবেন।


