Close Menu
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
    Tuesday, April 14 Login
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
    amarDesh24.newsamarDesh24.news
    Demo
    • হোম
    • ব্রেকিং
    • শীর্ষ খবর
    • জাতীয় সাক্ষ্য
    • আন্তর্জাতিক সাক্ষ্য
    • যুদ্ধ
    • খেলাধুলা
    • আরো
      • পডকাস্ট
      • টেক নিউজ
      • বিনোদন
      • যোগাযোগ
    amarDesh24.newsamarDesh24.news
    Home » সকল খবর » উগ্র মতাদর্শের উত্থান সাম্প্রতিক বাংলাদেশে ধর্মীয় রাজনীতি ও মানবাধিকারের সংকট!
    ব্রেকিং

    উগ্র মতাদর্শের উত্থান সাম্প্রতিক বাংলাদেশে ধর্মীয় রাজনীতি ও মানবাধিকারের সংকট!

    ইঞ্জিনিয়ার শফিক ইসলাম (রাজনৈতিক বিশ্লেষক)By ইঞ্জিনিয়ার শফিক ইসলাম (রাজনৈতিক বিশ্লেষক)April 14, 2026No Comments3 Views
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn WhatsApp Email Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email WhatsApp Copy Link

    এই লেখায় উপস্থাপিত সকল মতামত, বিশ্লেষণ ও বক্তব্য সম্পূর্ণরূপে লেখকের নিজস্ব এবং এর জন্য সংশ্লিষ্ট কোম্পানি কোনোভাবেই দায়বদ্ধ নয়।

    প্রকাশিত তথ্য বা মতের যথার্থতা, পরিণতি কিংবা প্রভাবের দায়ভার সম্পূর্ণরূপে লেখকের উপর বর্তায়।পাঠকদের অনুরোধ করা হচ্ছে, বিষয়বস্তুটি নিজস্ব বিবেচনা ও দায়িত্বে মূল্যায়ন করার জন্য।

    উগ্র মতাদর্শের উত্থান সাম্প্রতিক বাংলাদেশে ধর্মীয় রাজনীতি ও মানবাধিকারের সংকট!

    সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের ধর্মীয় উগ্রতা ও জঙ্গীবাদের বেড়ে চলে একটি গর্ভী উদ্ধেগের বিষয় হয়েউঠেছে। আমাদে এই ফ্ল্যাটফর্মে নিয়মিত লেখকরা সাধারণত একক লেখা প্রকাশ করেন, কিন্তু এবার আমরা ১৪ জনের ছোট-দৈর্ঘ্যের অভিজ্ঞতা ও বিশ্লেষণ একত্র করেছি। যদিও এগুলো স্বতন্ত্র, এককভাবে প্রকাশ করলে হয়তো পুরো চিত্র ফুটে উঠত না, সামষ্টিক ভাবে এগুলো চলমান পাতা-/২

    বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে। এই লেখাগুলোতে উঠে এসেছে:

    ● সাম্প্রতিক উগ্র ইসলামী দলগুলোর উত্থান ও তাদের প্রভাব।

    ● সংখ্যালঘু, নারী, সামকামী ও নাস্তিকদের ওপর হুমকি ও সহিংসতা।

    ● ধর্মের রাজনৈতিককীকরণ এবং নাগরিক অধিকার লঙ্গনের চিত্র।

    ● বাংরাদেশের ভবিষ্যত ও উদার, ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ গঠনের প্রয়োজনীয়তা।

    এই প্রবন্ধগুলো পাঠকের সামনে তুলে ধরে একটি গর্ভীর, সতর্কবার্তা: বিকাভে ধর্মীয় উগ্রতা এবং জঙ্গীবাদদেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক গঠনকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে। চলমান পাতা-/৩

    নিম্নে তাদের স্বতন্ত্র অভিজ্ঞতা ও বিশ্লেষনগুলো তুলে ধরা হলো:

    ১) আবু সায়েদ (২৭ দড়িকান্দি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া) দিপু চন্দ্র দাস-একজন মানুষ, একজন নাগরিক, একজন সংখ্যালুঘু। ধর্মের নামে উন্মত্ততার উল্লাসেতাঁকে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে- এটি কোনো “বিচ্ছিন্ন ঘটনা” নয় এটি আমাদের সমাজেদীর্ঘদিন ধরে জমে ওঠা বিষের বিস্ফোরণ। ইসলাম শান্তির ধর্ম- এ কথা কি এখনও আমাদের বিশ্বাস করতে হবে? যে ধর্ম বিশ্বাস মানুষকে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যা করতে শিখায়, যে ধর্ম রাষ্ট্র ও সমাজে ভয় ও আধিপত্য কায়েম করে- আধুনিক সভ্য যুগেরতার প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যেতে পারে। ধর্ম বিশ্বাসের সীশানা যদি আমরা নির্ধারণ করতে না পারি তবে ধর্মীয় উগ্রতা আমাদের সমাজকে আবার ও অন্ধকার যুগে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। সরকারের ব্যর্থতা এখানে অনস্বীকার্য। সংখ্যালঘু নির্যাতনের পর একই বিবৃতি একই আশ্বাস- কিন্তু কার্যকর বিচার নেই, দৃষ্টতূলক শাস্তি নেই। অপরাধীরা জানে, তারা ধরা পড়লেও ছাড় পেয়ে যাবে। এইদায়মুক্তির সংস্কৃতিই আজ দিপু চন্দ্র দাসের রক্তে আরও শক্ত হয়েছে। সবচেয়ে ভয়ের বিষয় আমাদের সামাজিক মূল্যবোধের ভয়াবহ পতন। প্রতিবেশী যখন প্রতিবেশীর মৃত্যুতে নীরব থাকে, যখন গুজবের আগুনে মানুষ পুড়ে আর সমাজ নির্বিকার থাকে-তখন প্রশ্ন উঠে: আমরা কেমন সমাজে বাস করছি? মানুষ হওয়াটাই কি এখন অপরাধ?

    ২) আফরোজা খানম চৌধুরী (৩৭ কোতয়ালী, কুমিল্লা) গত মাসের শরীয়তপুরে ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্র দাস নামে এক ব্যক্তিকে রাতের অন্ধকারে পেটানে ছুরিকাঘাত, এবং অবশে যে আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে- এটি আর কোনো সাধারণ সহিংসতা নয়; এটি ধর্ম, গুজব ও উগ্রতার সঙ্গে সংযুক্ত মানবিক বিপর্যয়ের আরেকটি নিদর্শন। ধর্মীয় উগ্রতা যে আমাদের রাষ্ট্রকে গ্রাস করেছে এ ঘটনা সেই সত্যকে আবার ও প্রমাণ করল। একজন নারী হিসেবে প্রতিদিনই দেখি- আপনি যদি সংখ্যালঘু হন বা ভিন্নমতাপন্ন হন, তাহলে নিরাপত্তা কোথায়? এই ধরনের বর্বরতা সমাজের ভিত্তিরে ভয়, অবিশ্বাস এবং বিভাজন তৈরি করে। এটিশুধু একটি ব্যক্তির মৃত্যু নয়; এটি একটি পুরো জঘন্য শিকড়ের পুনরুত্থান। আমার অভিজ্ঞতায়, আমারা যখন সংস্কৃতি, নারী অধিকার এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতার পক্ষে দাঁড়াই, তখন প্রবল প্রতিরোধের মুখোমুখি হই। কিন্তু ধর্মীয় উগ্রবাদ বা গুজব কখনো শান্তি বা ন্যায়ের পথ দেখায় না। আমাদের উচিত- যারা ক্ষতিগ্রস্ত তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং সমাজকে ধর্মীয় উগ্রত থেকে মুক্ত করে মানবিকতার পথে ফিরিয়ে আনা।

    ৩) আল ইমরান আহমেদ (২৬ ওসমানী নগর, সিলেট) আমি মনে করি-রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ধর্মীয় উগ্রবাদ একসাতে মিললে সমাজে ভয়বহ প্রভাব পড়ে। সম্প্রতি জাতীয় সিটিজেন পাঠ (NCP) যখন জামায়ত এর মতো ইসলামী দলগুলোর সঙ্গে জোট ঘোষণা করেছে, তখন তা দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ভয়াবহ ইঙ্গিত করেছে। এই সিন্ধান্তে অনেক প্রবীণ ও তরুন নেতা পদত্যাগ করেছেন, কারণ তারা মনে করেছেন এটি একটি উগ্রধর্মীয় শক্তিকে ক্ষমতায় আনতে সাহয্য করছে। জামায়াতের মত একটি উগ্র সন্ত্রাসী সংগঠন যেটি ২০১৩ সাল থেকে নির্বাচনে নিষিদ্ধ ছিল, এবার তারা ক্ষমতায় মসনদেব সতে পেতে পারে- এটি রাষ্ট্রীয় চিন্তার গভীর সংকটের ইঙ্গিত দেয়। আমি ভাবি- ধর্ম যখন রাজনৈতিক অস্ত্র হিসাবে ব্যবহৃত হয়, তখন তা সমাজে মুক্ত চিন্তা, বিচারবোধ ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার ওপর ঝুঁকি সৃষ্টি করে। ধর্ম কখনো সহিংসতার জন্য সৃষ্টি করা হয়নি; ধর্মের উদ্দেশ্যে ছিল সমাজকে নিয়ন্ত্রিত রাখা, দুর্বল ও অসহায়কে নিরাপত্তা দেয়া কিন্তু রাজনৈতিক উদেএদশ্য এটি ব্যবহার করার ফলে আজ মানুষের অধিকার সংখ্যালঘু নিরাপত্তা এবং নাগরিক মর্যাদা ক্ষুন্ন হচ্ছে।

    ৪) আসাদুর রহমান দিপু (৩৪ মৌলভীবাজার) ২০২৫ সালের ৭ মার্চ ঢাকা পুলিশ ও সেনাবাহিনী একটি নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরের মিছিলে বাধা দেয় এবং টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে তাদের ছত্রভঙ্গ চলমান পাতা-/৮করে দেয়। 

    এই ঘটনাটি স্পষ্টভাবে প্রমান করে যে, যখন ধর্মীয় আবেগকে রাজনৈতিক দাবি ও সংগঠিত কর্মসূচির সঙ্গে মিলিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় প্রকাশ করা হয়, তখন রাষ্ট্রকে অনিবার্য ভাবেই কঠোর নিরাপত্তা মূলক অবস্থানে যেতে হ। সরকার ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাধ্য হয়-এটি পছন্দের প্রশ্ন নয়, বরং রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা ও নাগরিক নিরাপত্তার দায়বদ্ধতা। এই প্রেক্ষাপটে হিযবুত তাহরীর নিজেদের “শান্তিপূর্ণ” সংগঠন হিসেবে উপস্থাপন করলেও বাস্তবে তাদের মিছিল, স্লেগান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি ধর্মনিরপেক্ষ ও বহুত্ববাদী সমাজ ব্যবস্থায় বিভাজন সৃষ্টি করার প্রবণতা দেখিয়েছে। এ ধরনের কার্যক্রম কেবল মতপ্রকাশেল সীমায় আবদ্ধ থাকে না; বরং তা সমাজিক উত্তেজনা বাড়ায়, সংখ্যালঘু জনগোষ্টীর নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলে এবং সহিংসতার জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। আমি মনে করি, সমাজে ধর্মীয় কর্মকান্ডের স্বাধীনতা থাকা উচিত-কিন্তু যখন কোনো গোষ্টী ধর্মকে ব্যবহার করে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর বাইরে চলে যেতে চায়, তখন সেটি রাষ্ট্র ও সমাজ উভয়ের জন্যই বড় হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। আমাদের উচিত- ধর্মকে রাজনৈতিক অস্ত্র নয়, ব্যক্তিগত বিশ্বাস হিসাবে সম্মান করা এবং সংঘাত রোধে আইন ও সামাজিক সংলাপকে প্রধান্য দেয়া। আমাদের বাংলাদেশকে আমরা কোন ভাবেই আফগানিস্থান বা ইরানের মত কট্টরপন্থি রাষ্টে পরিনত হতে দিতে পারি না।

    ৫) বগদাদ পিয়ারী রবি (৪৬ কোতওয়ালি কুমিল্লা) আমি সম্প্রতি লক্ষ্য করেছি যে, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্ধেগক্রমেই গভীর হচ্ছে। বিশেষ করে একটি বয়াবহ চলমান পাতা-/১০

    গণহিংসার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশ্যভাবে কঠোর মন্তব্য করে নিন্দা জানিয়েছে- যেখানে ধর্মীয় সহিংসতা ও ঘৃণার রাজনীতি সামাজিক উত্তেজনাকে বিপজ্জনক মাত্রায় নিয়ে গেছে। এই ধরনের আন্তর্জাতিক চাপ আমাদের মনে করিয়ে দেয়। দেশের ভেতরে যদি সংখ্যালঘু বা সাধারণ নাগরিকের নিরাপত্তা ও মর্যাদা কম হয়, তা আন্তর্জাতিক ভাবে দেখা হয় এবং দেশীয় ভাবমূর্তিকে ক্ষুন্ন করে। ধর্মরে নামে দমনপীড়ন কখনোই সামাজিক স্থিতিশীলতা দেয় না। আমি মনে করি যখন ধর্মের নামে ঘৃণা, সহিংসতা বা বিভাজন সৃষ্টি করা হয়, তখন সমাজে বিপর্যয় আসে। আমাদের উচিত ধর্মকে একটি মানবিক ও নৈতিক পথ হিসাবে দেখা, রাজনৈতিক শক্তি হিসাবে নয়।

    ৬) জান্নতুন জান্নত (২৬ শাহপরান, সিলেট)

    আমি যখন সমাজে সহিংসতার সংখ্যা সম্পর্কে পড়েছি বিশেষ করে ধর্মীয় ও সংখ্যালঘু বিরোধী ঘটনার গুলোর পরিসংখ্যান, আমার হৃদয় দগদগে হয়ে ওঠে একটি সংস্থা বলছে, 2024 ও 2025 সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত অন্তত 432 টা সংখ্যালঘু বিরোধী সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে এটি শুধু একটি সংখ্যা নয়, এটি মানুষের জীবন ভাঙন। এই আক্রমণগুলোর ভেতর রয়েছে ঘর ও প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর, ভয়ভীতি, হত্যা কিংবা ধর্মীয় স্থানের ওপর আক্রমণ। সমাজের ভেতরে যখন এমন আচরণ চলে, তখন নারীর নিরাপত্তা ও জীবনের মান আর স্বাভাবিক থাকে না। আমার মত একজন নারী হিসেবে বলতে পারি এই ধরনের হামলা শুধু নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে না, এটি সমাজের নৈতিক ভিত্তিকেও আঘাত করে। আমি বিশ্বাস করি-

    ধর্মীয় উগ্রতা মোকাবিলা করতে হলে সমাজের প্রতিটি সহনশীলতা, শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রচার বাড়াতে হবে। ইসলামের নামে, ইসলামি শাসন কায়েমের নামে সংখ্যালঘু, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ওপর যেভাবে হামলা হচ্ছে এটা লজ্জাজনক। ধর্মীয় উন্মাদনা ধ্বংস ছাড়া কিছু ডেকে আনে না। আওয়ামী লীগের পতনের পর আমি উচ্ছ্বসিত ছিলাম কিন্তু ইসলামের নামে দুঃশাসন, ঘৃণা ছড়ানো মেনে নেয়া যায় না। নাস্তিক, সমকামী ও সংখ্যালঘুদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে যে কোন মূল্যে। জঙ্গিবাদের স্থান বাংলাদেশে হতে দেয়া যাবে না।

    ৭। মোঃ আব্দুর রহমান (৩৩ ফেনী) ২০২৫ সালের জুন মাসের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলায় একটি খুবই ভীতিকর ঘটনা ঘটেছে- স্থানীয়রা এক হিজড়া (যিনি লিঙ্গবৈচিত্র্যের সদস্য)

    সহিংসভাবে বাড়িতে আগুন দিয়ে হত্যা করে ও তার সম্পদ লুটপাট করে। এই ঘটনাটি ধর্মীয় উগ্রতার হাতিয়ার এবং বৈষম্যের বাস্তব ছবি। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি সমাজে যদি নারীরও নিরাপদ না থাকে এবং লিঙ্গবৈচিত্র্যের মানুষেরাও রাস্তায় মুখ খুলতে না পারে, তবে সেই সমাজ শান্তি বলতে কিছুই নেই। এটি শুধু ব্যক্তিগত জীবনের ক্ষতি নয়; এটি মানবিক মর্যাদা ও আইনের প্রতি জনবিশ্বাসের ভাঙন। যে সংখ্যালঘুরা নিজেদের পরিচয় ও জীবন ভালোবেসে বাঁচতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা একটি মানবাধিকার লঙ্ঘন। আমাদের রাষ্ট্রে ও সমাজকে এমনভাবে গঠন করতে হবে যাতে মানুষের মৌলিক স্বাধীনতা ও মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাকে।

    ৮। মোঃ রাকিবুল হাফিজ (৩৪ বোয়ালিয়া রাজশাহী) আমি একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার প্রতিবেদনে দেখেছি ২০২৪ সালে বাংলাদেশে প্রায় ৭০টি ঘটনায় মোট ৩৯৬ জন সমকামী ও লিঙ্গবৈচিত্র্য সম্পন্ন মানুষ সহিংসতার শিকার হয়েছেন। এই প্রতিবেদন কেবল এক-দুটি ঘটনার পরিসংখ্যান নয়; এটি দেখায় যে ধর্মীয় মৌলবাদ, সামাজিক বৈষম্য ও প্রশাসনিক অনাগ্রহ জেন্ডার ও যৌন বৈচিত্র্যের মানুষের ওপর কী বিপজ্জনক চাপ সৃষ্টি করেছে। আইনি ক্ষেত্রে ধারা ৩৭৭ এর কারণে সমকামী সম্পর্ক আজও অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়- এটি সমাজের বৈষম্যমূলক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো দিয়েছে। আমি মনে করি ধর্ম কখনো নাগরিক অধিকার ও মর্যাদা হরণের হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে না। সমান অধিকার, মানবিক সম্মান ও নিরাপত্তা ছাড়া কোনো সমাজই উন্নত স্থিতিশীল হতে পারে না।

    ৯। মোঃ রাশেদুজ্জামান সরকার (৪৩ বাঘা রাজশাহী) বাংলাদেশে ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ এর প্রথম দিক পর্যন্ত প্রায় ২৩টি হত্যা, ১৭৪টা সহিংসতা ও সাম্প্রদায়িক আক্রমণের ঘটনা হয়েছে এগুলো শুধু সংখ্যা নয়; এগুলা মানুষের জীবন, পরিবার ও সমাজের ভিত্তি পরিকল্পিতভাবে ভেঙে ফেলার নির্দেশ করে। আমি দেখি এই সহিংসতা কেবল ধর্মীয় বিবাদ নয় বরং রাজনৈতিক উত্তেজনা, গুজব ও অসহিষ্ণু মনোভাবের ফল। ধর্ম বিশ্বাস মানুষকে উগ্র করে তোলে আর সেই ধর্ম বিশ্বাসকে যখন রাজনৈতিক অস্ত্র বানানো হয় তখন ঘৃণা ও সহিংসতা জন্ম নেয়। আমরা যদি সত্যিই একটি মুক্ত, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ চাই, তাহলে আমাদের সমাজে সহনশীলতা, নাগরিক অধিকার ও আইনশৃঙ্খলার প্রতি সম্মান ফিরিয়ে আনতে হবে। সকল প্রকার ধর্মীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে

    হবে। বিশ্বাস করি ইসলামি জঙ্গিবাদ নির্মূল করতে না পারলে আমাদের জন্য একটি ভয়াবহ ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে।

    ১০। মিজানুর রহমান (৫০ বাঘা রাজশাহী) আমি যখন পুলিশ ও মানবাধিকার সংস্থার পরিসংখ্যান দেখি মনে হয় বাংলাদেশে ধর্মীয় ও সংখ্যালঘু বিরোধী আক্রমণের সমস্যাটা সম্প্রতি আরও প্রকট হয়েছে। একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত ২০১০টি সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এটা শুধু একটি গণমাধ্যমের রিপোর্ট নয়: এটি বাস্তব মানুষের ক্ষতি ও নিরাপত্তাহীনতার পরিসংখ্যান। সংখ্যালঘুদের বাড়ি, ব্যবসা উপাসনালয় সব জায়গায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এই ধরনের ধর্মীয় উগ্রতা যদি আমাদের সামাজিক রাজনৈতিক কাঠামোতে ঢুকে

    পড়ে, তবে আমাদের ভবিষ্যৎ নরকের মতো হবে। আমি মনে করি মানুষের মৌলিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে কোনো সমাজই শান্তিতে থাকতে পারে না। আমাদের উচিত আইন কাঠামো ও সামাজিক সংলাপকে শক্ত করা যাতে ধর্মীয় সহিংসতা সমূলে দমন করা যায়। বাংলাদেশ কি ধর্মীয় জঙ্গিদের হাতে চলে যাবে না কি আমরা ধর্মীয় উগ্রতার বিরুদ্ধে লড়াই করে একটি প্রগতিশীল, ধর্ম নিরপেক্ষ ও মানবিক রাষ্ট্র গড়ে তুলব সে সিদ্ধান্ত আমাদেরকেই নিতে হবে।

    ১১। মহিউদ্দিন মিয়া (২৭ বোয়ালমারী ফরিদপুর) আমি যখন দেখি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সহিংসতার খবরগুলো আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে উঠে আসছে বিশেষ করে সংখ্যালঘু হত্যাকাণ্ড ও হামলার ঘটনা তা আমাকে ভাবায় যে এ পরিস্থিতি কেবল দেশগত নয়, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ইস্যুতে পরিণত হচ্ছে।

    এমনকি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদও উঠেছে। ঢাকাসহ দেশজুড়ে নারী, সংখ্যালঘু সমকামী ও মানবাধিকার কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে। এটি আমাদের জন্য একটি গভীর সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সমগ্র পৃথিবী যখন ধর্ম বিশ্বাসের অন্ধত্ব থেকে বেরিয়ে এসে মানবতার আলোতে উদ্ভাসিত তখন আমাদের বাংলাদেশকে মাওলানা মুফতি হুজুরেরা হাজার বছর অতীতের অন্ধকার যুগে ফিরিয়ে নিতে চায়। আমি মনে করি অবিলম্বে ধর্মের বাটপারি, রাজনীতি ও সহিংসতা বন্ধ করা প্রয়োজন এই গুরুত্বপূর্ণ সত্যটি উপলব্ধি করতে ইউনূস সরকার ব্যর্থ। অথবা বলা যেতে পারে এই সরকার মৌলবাদীদের হাতে জিম্মি।

    ১২। মুহাম্মদ জাকির হোসেন (৪৬ গোসাইরহাট, শরীয়তপুর)

    আমি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখতে পাই ধর্মীয় ও রাজনৈতিক উত্তেজনা প্রতিনিয়ত সমাজে ছড়িয়ে পড়ছে এবং তা মানবাধিকার ও নাগরিক নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলছে। উদাহরণস্বরূপ, দেশের বিভিন্ন জায়গায় সংখ্যালঘুদের বাড়িতে হামলা ও ধর্মীয় স্থানের বিরুদ্ধে আক্রমণ হওয়া এগুলো শুধু অপরাধ নয়, আমাদের সমাজের ভিত্তিকে চ্যালেঞ্জ করছে। এই সহিংসতার পরিসংখ্যান শতকরা বহু মানুষ মৃত অসংখ্য সম্পত্তি নষ্ট এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের জায়গাটা কতটা ক্ষীণ হয়ে গেছে। আমি মনে করি, ধর্ম রাজনীতি ও নিরাপত্তার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা না হলে এ ধরনের ঘটনা পুনরায় ঘটতে পারে। আমি মনে করি মানুষের ধর্ম, ধর্মের জন্য মানুষ নয়। মানুষ এক সময় যখন সামাজিক ও সততায়

    পিছিয়েছিল, সমাজে মানবিক মূল্যবোধ বলতে কিছু ছিল না তখন ধর্মের প্রাসঙ্গিকতা ছিল। আধুনিক সভ্য সমাজ ও উন্নত রাষ্ট্র ব্যবস্থায় ধর্মের কোন স্থান থাকতে পারে না।

    ১৩। সাদিয়া শারমিন আয়েশা (১৯ শাহপরান সিলেট) আমি একটি মানবাধিকার সংস্থার রিপোর্ট বিবৃত হয়েছি যেখানে বলা হয়েছে ২০২৪ সালে বাংলাদেশে প্রায় ৪০০ জন এলজিবিটি বা যৌনলিঙ্গবৈচিত্র্য সম্পন্ন মানুষ সহিংসতার শিকার হয়েছেন। এটা শুধু সংখ্যার কথা নয়: এটি মানুষের জীবন, মর্যাদা ও স্বপ্নের ক্ষতি। সমাজ যখন একটি গোষ্ঠীকে শারীরিক, সামাজিক ও প্রশাসনিকভাবে বৈষম্যের মুখে ফেলে তখন তার কাছে সমানাধিকার সম্মান ও নিরাপত্তা থাকে না। এমনকি আইনি বাধা যেমন বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৭৭ এদের জীবনকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। আমি

    মনে করি ধর্মীয় অনুভূতি যতই শক্তিশালী হোক, তা কখনো মানুষের অস্তিত্ব ও মানবিক মর্যাদা দমন করতে পারে না। একটি রাষ্ট্র যখন নাগরিককে অপরাধী হিসেবে ধরে তবে সে সমাজে মানবিকতার জায়গা কোথায় থাকে? মানুষের স্বাধীনতা, মর্যাদা ও সম্মান এগুলোই একটি সমাজে বাঁচার শক্তি। বাংলাদেশকে সেই দিকে এগিয়ে নিতে আমাদের এখনই শক্তিশালী অবস্থান নিতে হবে।

    ১৪। মোঃ মুরাদ হোসেন (৫০ আতাইকুলা পাবনা) গত এক বছর ধরে বাংলাদেশে যে সামাজিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তা আমি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি এবং ভাবতেই ভয় লাগে সম্প্রতি আমাদের রাজধানীতে ধর্মীয় উগ্রপন্থিদের যে অবিশ্বাস্য উত্থান, তারা যে ভাবে প্রকাশ্যে খিলাফাহ প্রতিষ্ঠার ডাক দিচ্ছে মনে হতে পারে আমি মুক্তিযুদ্ধের

    বাংলাদেশে নয় বরং ইসলামি জঙ্গিদের আফগানিস্তান বা পাকিস্তানকে দেখছি। ধর্ম অবমাননার গুজব কাজে লাগিয়ে কথিত মব সৃষ্টি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষকে পিটিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করার মত নৃশংস ঘটনাগুলো নিঃসন্দেহে ভারতের সাথে আমাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটাবে যা আমাদের আঞ্চলিক নিরাপত্তা হুমকির মুখে ফেলবে। সরকারের নিশ্চুপতা প্রমাণ করে তারা দেশ ও জনগণের নিরাপত্তা প্রদানে ব্যর্থ। ধর্মীয় জঙ্গিগোষ্ঠীর সাথে তাদের গোপন বোঝাপড়া আছে কি না সে প্রশ্নও তোলার সুযোগ আছে। আমি এই পরিস্থিতিকে শুধু রাজনৈতিক গোলযোগ হিসেবে দেখি না; বরং এটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার বিরুদ্ধে এটি উল্লেখযোগ্য বিপদ। ধর্ম কখনোই হিংসা, বিচ্ছিন্নতা বা অপব্যাখ্যার হাতিয়ার হতে পারে না। মানুষ ধর্মকে নিজের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক জীবনের জন্য গ্রহণ

    করে, কিন্তু যখন সেটি রাজনীতির অস্ত্র হয়ে ওঠে তখন সমাজের ভেতরে ভয়, বিভাজন ও সন্দেহ জন্মায়। আমি মনে করি, বাংলাদেশের সত্যিকারের শক্তি হলো তার বৈচিত্র্য সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ। আমাদের উচিত ধর্মকে রাজনৈতিক অনুসন্ধানের হাতিয়ার না বানিয়ে বরং এটি ব্যক্তি বিশ্বাসের জায়গায় রাখা যেখানে সেটা মানুষের আচরণ ও সহমর্মিতাকে সমর্থন করে। না হলে দেশের ভবিষ্যৎ শুধু রাজনৈতিক সংঘাতের দিকে এগোবে, মানবিক মূল্যবোধের দিকে নয়।

    আমরা নিম্ন লিখিত ব্যক্তিবর্গ বর্তমান বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রবাদের যে আগ্রাসন চলছে তার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং আন্তর্জাতিক বিশ্বের Human Rights বিরুদ্ধে বাংলাদেশের পেনাল কোড ১৮৬০ সালে ৩৭৭নং ধারা রদ রোহিত করণ এবং সূরা নাস এর আলোকে নারীদেরকে সমান

    অধিকার থেকে বঞ্চিত করে ১৯৬১ সালে যে শরিয়া আইন তৈরি করা হয়েছে আমরা তার রদ রোহিত করণ এবং বাতিল চাই।

    ইয়ং টাইগার গ্রুপ:

    ১। আবু সায়েদ (২৭) দড়িকান্দি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। 

    ২। আফরোজা খানম চৌধুরী (৩৭) কোতয়ালী কুমিল্লা।

    ৩। আল ইমরান আহমেদ (২৬) ওসমানীনগর সিলেট। 

    ৪। আসাদুর রহমান দিপু (৩৪) মৌলভীবাজার। 

    ৫। বগদাদ পিয়ারী রবি (৪৬) কোতয়ালী কুমিল্লা। 

    ৬। জান্নাতুল নাঈম জান্নাত (২৬), শাহপরান, সিলেট।

    ৭। আব্দুর রহমান (৩৩) ফেনী। 

    ৮। মোহাম্মদ রাকিবুল হাফিজ (৩৪) বোয়ালিয়া, রাজশাহী। 

    ৯। মোঃ রাশেদুজ্জামান সরকার (৪৩) রাজশাহী। 

    ১০। মোঃ মিজানুর রহমান (৫০), রাজশাহী। 

    ১১। মহিউদ্দিন মিয়া (২৭), বোয়ালমারী ফরিদপুর।

    পাতা নং-২৫ চলমান পাতা-/২৬

    ১২। মুহাম্মদ জাকির হোসেন (৪৬), গোসাইর হাট, শরীয়তপুর। 

    ১৩। সাদিয়া শারমিন আয়েশা (১৯), শাহপরান সিলেট। 

    ১৪। মোহাম্মদ মুরাদ হোসেন (৫০), আতাইকুলা পাবনা। 

    ১৫। জান্নাতুল ফেরদৌস ইমন (২৪) সুনামগঞ্জ।

    উগ্র ধর্মীয় মৌলবাদের আগ্রাসনে আজ বাংলাদেশের কানায় কানায় পরিপূর্ণ। বর্তমানে বাংলাদেশে আইয়ামে জাহেলিয়াত যুগের থেকেও বেশী মানুষ নিষ্পীড়ন, নির্যাতন ও অশ্লীল কাম লালসার শিকার হচ্ছে। বিশ্বশান্তির বাণী নিয়ে নবী মুহাম্মদ ধর্মের যে বিষবৃক্ষ আজ থেকে ১৪০০ বছর পূর্বে আরবের মরুভূমিতে রোপন করেছিল তা আজ সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে কিছু ইসলামি ধর্ম ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে (যেমন জামায়াতে ইসলাম, হেফাজতে ইসলাম, চরমোনাই ইত্যাদি), ছড়িয়ে পড়ছে। ইসলাম মানে শান্তি হলে সৃষ্টির শুরু থেকেই লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন বিপন্ন করাই এই

    ধর্মের মূল উদ্দেশ্য এবং নিজেদের হীন স্বার্থ উদ্ধার কাম লালসা পূর্ণ করা এবং শান্তির নামে অশান্তি সৃষ্টি করাই ভণ্ড প্রতারক এই ধর্মের অনুসারীদের প্রধান কাজ। এই ধর্মের অনুসারী, রক্ষক এবং প্রচারকরা নিজেদের স্বার্থে যে কোন অন্যায় অবৈধ কাজ করতে দ্বিধাবোধ করে না। বর্তমানে প্রায় প্রতিদিনেই দেখা যায় বিভিন্ন মাদ্রাসা, হেফজখানা এমনকি মসজিদের ভেতরেও দাড়ি ওয়ালা বকধার্মিক হুজুররা চার বছরের শিশু থেকে সত্তর বছরের বৃদ্ধা নারীকে বিভিন্ন ভাবে প্রলোভন দেখিয়ে বা জোর করে ধর্ষণ করে নিজেদের হীন লোভ লালসা চরিতার্থ করেছে এমন কি ছোট ছোট বাচ্চা শিশুদের কেও বলাৎকারের শিকার হতে হয়। অবশ্যই এই বকধার্মিক হুজুরদের কথা আর কি বলব এদের যে নবী মুহাম্মদ সে নিজেও তার নিজের লালসা পরিপূর্ণ করার জন্য তের জন অসহায়

    মহিলাদের সাথে বিবাহ নামক চুক্তিতে আবদ্ধ হন। কথিত আছে সাত বছরের শিশু আয়েশাকে বিবাহ করেন শুধু তার নিজের কাম বাসনা পরিপূর্ণ করার জন্য। এই ধর্মের অন্যতম একটি খারাপ দিক হলো এখানে Human Rights বলে কিছু নেই। সারা পৃথিবীতে যেখানে নারী পুরুষের সমান অধিকার দেওয়া হয়েছে সেখানে ইসলাম ধর্মে নারীকে পুরুষ থেকে অর্ধেক অধিকার দেওয়া হয়েছে। যেমন পিতার সম্পত্তিতে মেয়েকে ছেলের অর্ধেক সম্পত্তি দেওয়া হয়েছে, সূরা নিসায় বলা আছে। আমাদের মতে এই সূরার বিধান বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত হওয়া উচিত এবং এর সাথে সম্পর্কিত যে সকল আইন বাংলাদেশে আছে তা বাতিল করা উচিত যেমন মুসলিম পারিবারিক আইন ১৯৬১। পুরুষে সাথে পুরুষের এবং নারীর সাথে নারীর যেখানে সারা পৃথিবীতে সমকামীতার অনুমোদন

    দেওয়া হয়েছে সেখানে বাংলাদেশ পেনাল কোডের ৩৭৭ ধারায় তা নিষিদ্ধ করা হয়েছে সূরা নূহ্ এর আলোকে। আমরা সাম্যতা ন্যায্যতার ভিত্তিতে মানুষের অধিকার চাই, নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য যা প্রয়োজন তা হালাল এবং নিজেদের স্বার্থের বিরুদ্ধে গেলে তা হারাম চাই না। যেমন এতদিন জামায়াতে ইসলাম এবং তাদের সমমনা দল গুলো বলে এসেছে সুদ খাওয়া হারাম অথচ নিজেদের স্বার্থে বাংলাদেশের সব থেকে বড় সুদখোর ডাঃ মুহাম্মদ ইউনূসকে তারা নবী হিসেবে মনে করে। এই ধরনের দ্বিচারিতা সমাজ থেকে সমূলে উৎপাটন করতে চাই।

    নিচে তথ্যের ভিত্তিতে “আমার দেশ” শিরোনামের প্রবন্ধটির লেখকদের নাম ও ঠিকানার পূর্ণাঙ্গ তালিকা দেওয়া হলো:

    ১। আবু সাঈদ (২৮): পিতা- মোঃ শামসুল হক, মাতা- মমতাজ বেগম। ঠিকানা- দড়িকান্দি, বাঞ্ছারামপুর, দড়িকান্দি-৩৪১৩, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ।

    ২। আফরোজা খানম চৌধুরী (৩৮): পিতা- জাহাঙ্গীর খান চৌধুরী, মাতা- আয়েশা খানম চৌধুরী। ঠিকানা- বৌরিচং হাউজ, ঠাকুর পাড়া, বাগান বাড়ী, কোতওয়ালি মডেল, কুমিল্লা সদর- ৩৫০০, কুমিল্লা ।

    ৩। আল ইমরান আহমেদ (২৭): পিতা- তমজিদ আলী, মাতা- আয়েশা বেগম। ঠিকানা- নিজ কুরুয়া, ওসমানী নগর, সিলেট ।

    ৪। আসাদুর রহমান দিপু (৩৫): পিতা- মোঃ নুরুল হক, মাতা- রায়না বেগম। ঠিকানা- বারকাপন, মৌলভীবাজার সদর, বারকাপন-৩২০১, মৌলভীবাজার ।

    ৫। বোগদাদ পিয়ারি রুবি (৪৬): পিতা- এস কে এম মনজুর ই মোরশেদ সোহাব, মাতা- বেগম রোকেয়া। ঠিকানা- কুচাইতলী, কোতওয়ালী মডেল, রাজাপাড়া ৩৫০০, কুমিল্লা ।

    ৬। জান্নাতুন নাঈম জান্নাত (২৭): পিতা- মোঃ মোফাজ্জল হোসেন নিমাড়, মাতা- খালেদা বেগম চৌধুরী। ঠিকানা- শাহাজালাল উপশহর, ব্লক-ই, রোড নং ০২, হাউস নং- ২৬, শাহপড়ান, সিলেট সদর-৩১০০, সিলেট ।

    ৭। মোঃ আব্দুর রহমান (৩৪): পিতা- আবু তাহের, মাতা- রায়হানা বেগম। ঠিকানা- মাসিমপুর, ধলিয়া, ফেনী সদর, ফেনী ।

    ৮। মোঃ রাকিবুল হাফিজ (৩৪): পিতা- মোঃ আজিজুর রহমান, মাতা- মোছাঃ মমতাজ বেগম। ঠিকানা- ১৮ বখতিয়ারাবাদ, বোয়ালিয়া মডেল, সপুরা-৬২০৩, রাজশাহী ।

    ৯। মোঃ রাশেদুজ্জামান সরকার (৪৪): পিতা- আমজাদ হোসেন সরকার, মাতা- রাশিদা বেগম। ঠিকানা- কেশবপুর, বাঘা, কিশোরপুর-৬২৮০, রাজশাহী ।

    ১০। মিজানুর রহমান (৫১): পিতা- আতাউর রহমান, মাতা- হোসনে আরা রহমান। ঠিকানা- দক্ষিণ মিলিক বাঘা, বাঘা-৬২৮০, রাজশাহী ।

    ১১। মহিউদ্দিন মিয়া (২৭): পিতা- জিয়াউল কাইয়ুম মিয়া, মাতা- হালিমা বেগম। ঠিকানা- বোয়ালমারী বাজার, বোয়ালমারী, ফরিদপুর ।

    ১২। মুহাম্মাদ জাকির হোসাইন (৪৬): পিতা- নূর মোহাম্মদ সরদার, মাতা- খাদিজা বেগম। ঠিকানা- পাঁচকাঠি, হাটুরিয়া, গোসাইরহাট, শরীয়তপুর ।

    ১৩। সাদিয়া শারমিন আয়েশা (২০): পিতা- মোফাজ্জল হোসেন নিমাড়, মাতা- খালেদা চৌধুরী। ঠিকানা- শাহজালাল উপশহর, ব্লক-ই, রোড নং ০২, হাউস নং- শাহপড়ান, সিলেট সদর- ৩১০০, সিলেট ।

    ১৪। মোঃ মুরাদ হোসেন (৫০): পিতা- মৃত মোঃ আব্দুস ছাত্তার, মাতা- মোছা সুফিয়া বেগম। ঠিকানা- সারদিয়ার, শাঁখারি পাড়া, আতাইকুলা, পাবনা ।

    ১৫। জান্নাতুল ফেরদোস ইমন: পিতা- আব্দুল সোবাহান, মাতা- শিপা বেগম। ঠিকানা- মোহাম্মদপুর, জগন্নাথপুর আরলিয়া বাজার-৩০৬০ সুনামগঞ্জ ।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Telegram Email WhatsApp Copy Link
    Leave A Reply Cancel Reply

    শীর্ষ খবর

    বাংলাদেশের শেখ হাসিনা নির্বাচনে অংশগ্রহণে দল নিষিদ্ধ হওয়ায় গণবয়কটের হুমকি দিলেন

    October 29, 2025731

    জামায়াতে ইসলামী: জন্মলগ্ন থেকেই ভণ্ডামি ও বিশ্বাসঘাতকতার ইতিহাস

    October 2, 2025443

    প্রকাশ্যে হত্যাযজ্ঞ, প্রশাসনের নীরবতা,অবৈধ ইউনুস সরকারের প্রতি জাতির ঘৃণা

    September 9, 202525

    ২৭৫ মেগাওয়াট অন্ধকার : এনজিও অভিজ্ঞতায় দেশ চালানোর ফলাফল 

    October 26, 202516
    ব্রেকিং নিউজ
    ব্রেকিং

    উগ্র মতাদর্শের উত্থান সাম্প্রতিক বাংলাদেশে ধর্মীয় রাজনীতি ও মানবাধিকারের সংকট!

    April 14, 20263

    এই লেখায় উপস্থাপিত সকল মতামত, বিশ্লেষণ ও বক্তব্য সম্পূর্ণরূপে লেখকের নিজস্ব এবং এর জন্য সংশ্লিষ্ট…

    শেখ হাসিনার বিচার: গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে জাতিসংঘে অভিযোগ

    November 11, 2025

    বাংলাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতাকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে তদন্তের আহ্বান: Doughty Street Chambers-এর আবেদন আইসিসিতে

    October 27, 2025

    একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনই দেশকে স্থিতিশীল করতে পারে: এপিকে সজীব ওয়াজেদ

    October 26, 2025
    অনুসরণ করুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Pinterest
    • Instagram
    • YouTube
    • Vimeo
    আবহাওয়া
    Powered by Tomorrow.io
    নামাজের সময়
    আমাদের সম্পর্কে
    আমাদের সম্পর্কে

    আমারদেশ২৪.নিউজ একটি বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য অনলাইন সংবাদমাধ্যম, যা দ্রুত সময়ে সঠিক ও সর্বশেষ খবর পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেয়। আমরা আপসহীন সাংবাদিকতার মাধ্যমে সমাজের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করি।

    নিরপেক্ষতা, সত্য ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমরা বিশ্বাস করি, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাই একটি সচেতন সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    যোগাযোগ

    ইমেইল: admin@amardesh24.news

    ঠিকানা: বাড়ি-১৩/বি, রোড – ৮, লেক সাইড, বারিধারা ডিওএইচএস, ঢাকা, বাংলাদেশ

    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
    মেনু
    • আন্তর্জাতিক সাক্ষ্য
    • খেলাধুলা
    • জাতীয় সাক্ষ্য
    • টেক নিউজ
    • পডকাস্ট
    • বিদেশী মিডিয়ার হাইলাইটস
    • বিনোদন
    • ব্রেকিং
    • যুদ্ধ
    • শীর্ষ
    © amarDesh24.news. All rights reserved.
    • সকল খবর
    • যোগাযোগ
    • লগইন
    • অ্যাকাউন্ট
    • ড্যাশবোর্ড

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    Sign In or Register

    Welcome Back!

    Login to your account below.

    Lost password?