বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণ এবং পরে জোরপূর্বক গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক জিসান মিয়া প্রধানের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। কুমিল্লার দাউদকান্দি মডেল থানায় ভুক্তভোগী নিজেই চারজনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার পর আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় জিসান মিয়া প্রধানের ‘অপহরণ’ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে। তবে পরে তাকে সুস্থ অবস্থায় পাওয়া গেলে ঘটনাটি নিয়ে নতুন প্রশ্নের জন্ম দেয়। অভিযোগ উঠেছে, মূল মামলার চাপ এড়াতে অপহরণের নাটক সাজানো হয়েছিল।

এদিকে ভুক্তভোগী পক্ষ দাবি করেছে, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাতের মতো গুরুতর অভিযোগ থেকে জনদৃষ্টি সরাতেই এই নাটক সাজানো হয়েছে। তবে অভিযুক্তের সমর্থকরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তদন্ত শেষে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version