Close Menu
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
    Tuesday, September 1 Login
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
    amarDesh24.newsamarDesh24.news
    Demo
    • হোম
    • ব্রেকিং
    • শীর্ষ খবর
    • জাতীয় সাক্ষ্য
    • আন্তর্জাতিক সাক্ষ্য
    • যুদ্ধ
    • খেলাধুলা
    • আরো
      • পডকাস্ট
      • টেক নিউজ
      • বিনোদন
      • যোগাযোগ
    amarDesh24.newsamarDesh24.news
    Home » সকল খবর » ধানমন্ডি ৩২ঃ ইট-পাথর ভাঙার চেয়েও বড় যে সাংবিধানিক প্রশ্ন
    ব্রেকিং

    ধানমন্ডি ৩২ঃ ইট-পাথর ভাঙার চেয়েও বড় যে সাংবিধানিক প্রশ্ন

    Desk ReportBy Desk ReportSeptember 1, 2026No Comments83,751 Views
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn WhatsApp Email Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email WhatsApp Copy Link

    সম্পাদকীয় কলাম

    সংবিধান লঙ্ঘনের শাস্তি কি মৃত্যুদণ্ড? ধানমন্ডি ৩২-এর ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে এবার প্রশ্ন আইন কোথায়?

    একটি ভবন ভেঙে ফেলা যায় কয়েক ঘণ্টায়। কিন্তু একটি রাষ্ট্রের আইনের শাসন ভেঙে গেলে সেটি পুনর্গঠন করতে প্রজন্ম লেগে যেতে পারে। ধানমন্ডি ৩২-এর বাড়ি ধ্বংসের ঘটনাকে তাই শুধু একটি পুরোনো ভবন ভাঙা, একটি রাজনৈতিক প্রতীকের অবসান কিংবা একটি জঙ্গীবাদের প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখলে বিষয়টির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি আড়ালে থেকে যায়। আসল প্রশ্ন হলো বাংলাদেশে কোনো স্থাপনা, সম্পত্তি বা ঐতিহাসিক স্থানের ভাগ্য কি জঙ্গীদের অপ-রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কিংবা ক্ষমতাবানদের ইচ্ছায় নির্ধারিত হবে, নাকি সংবিধান ও আইনের নির্ধারিত প্রক্রিয়ায়?

    ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ রাতে ধানমন্ডি ৩২-এর বাড়িতে প্রথমে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর শুরু হয়। পরে সেখানে ক্রেন ও এক্সকাভেটর আনা হয় এবং ভবনটি ভেঙে ফেলা হয়। পরদিনও জঙ্গীরা হাতুড়ি ও অন্যান্য সরঞ্জাম দিয়ে অবশিষ্ট কাঠামো ভাঙতে থাকে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এসব ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশিত হয়েছে।

    কিন্তু এখন প্রশ্ন, এই ধ্বংসযজ্ঞের সাংবিধানিক ও আইনি ভিত্তি কী ছিল?

    ১. সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদ: জনগণের ক্ষমতাও আইনের অধীন

    বাংলাদেশের সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রের একটি মৌলিক সত্য ঘোষণা করে প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ। কিন্তু সেই ক্ষমতার প্রয়োগ হতে হবে সংবিধান ও তার কর্তৃত্বের অধীনে। একই অনুচ্ছেদ সংবিধানকে প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে।

    অর্থাৎ “জনগণ চেয়েছে” এটি কোনো কাজকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৈধ করে না।
    তবে জঙ্গীদের কবলে দেশ ডুবন্ত অবস্থায় বিচারিক আদালত নিভৃতে ভবিষ্যৎ নিয়ে আশা করে সময় গুনে গুনে।

    একটি ভবনকে হাজার হাজার জঙ্গী রাজনৈতিকভাবে তাদের একাত্তরে পরাজয়ের কারণে তীব্র ঘৃণা করে। তারা মনে করে, ভবনটি তাদের কাছে একটি পরাজয়ের প্রতীক। কিন্তু সেই ক্ষোভ কাউকে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সাংবিধানিক অধিকার দেয় না। কারণ গণতন্ত্রের অর্থ জনতার শাসন, জনতার নামে জঙ্গীদের আইনহীনতা নয়। আজ যদি একটি ঐতিহাসিক ভবন জঙ্গীদের একাত্তরের পরাজয়ের ক্ষোভে ভাঙা বৈধ বলে ধরে নেওয়া হয়, কাল নিপিড়ীত কোনো রাজনৈতিক গোষ্ঠী ভিন্ন একটি ভবনকে “অন্যায়ের প্রতীক” ঘোষণা করে একই কাজ করতে পারে। তখন রাষ্ট্র আর আইনের ভিত্তিতে চলবে না; চলবে শক্তি, সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও প্রতিশোধের ভিত্তিতে।

    ২. অনুচ্ছেদ ৩১: “আইন ছাড়া” ক্ষতিকর ব্যবস্থা নয়

    ধানমন্ডি ৩২ প্রসঙ্গে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর একটি আসে সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ থেকে। এই অনুচ্ছেদ বলছে, প্রত্যেক নাগরিক এবং বাংলাদেশে অবস্থানরত প্রত্যেক ব্যক্তির আইনের সুরক্ষা পাওয়া এবং আইন অনুযায়ী আচরণ পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কোনো ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা, দেহ, সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতিকর কোনো ব্যবস্থা আইন ছাড়া নিজো হাতে নেওয়া যাবে না।

    এখানেই মূল সাংবিধানিক প্রশ্নটি দাঁড়ায়। কোনো বাড়ি যদি রাষ্ট্রের মদদে জঙ্গীদের দৃষ্টিতে অপসারণযোগ্যও হয়, তাহলেও প্রশ্ন থাকবে কোন আইনের অধীনে? কোন কর্তৃপক্ষের আদেশে? কোন প্রক্রিয়ায়?

    সরকার চাইলে কোনো স্থাপনা অধিগ্রহণ করতে পারে, কিন্তু তারও আইনগত ভিত্তি থাকতে হয়। কোনো রাজনৈতিক দল, কোনো সংগঠন কিংবা জঙ্গীরা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিয়ে সম্পত্তি ধ্বংস করার ক্ষমতা সংবিধান থেকে পায় না। বরং সংবিধান স্পষ্টত জঙ্গীদের নির্মূলে বার্তা দেয় বারবার। দেশদ্রোহীতার ক্ষমা নেই।

    ৩. অনুচ্ছেদ ৪২: সম্পত্তির অধিকার কি রাজনৈতিক পরিচয়ের ওপর নির্ভরশীল?

    সংবিধানের ৪২ অনুচ্ছেদ নাগরিকের সম্পত্তি অর্জন, ধারণ, হস্তান্তর ও ভোগের অধিকার স্বীকার করেছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, আইনগত কর্তৃত্ব ছাড়া কোনো সম্পত্তি বাধ্যতামূলকভাবে অধিগ্রহণ, জাতীয়করণ বা রিকুইজিশন করা যাবে না। অর্থাৎ সম্পত্তির মালিক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি রাজনৈতিকভাবে জনপ্রিয় কি না, সেই প্রশ্ন আলাদা। সম্পত্তির ওপর রাষ্ট্রের ক্ষমতা প্রয়োগের প্রশ্নটি আলাদা। এখানে একটি মৌলিক নীতি মনে রাখতে হবে:- আইনের চোখে অপরাধী হলেও কাউকে শাস্তি দেওয়ার অধিকার ব্যক্তির হাতে চলে যায় না; আদালত ও আইনগত প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হয়।

    একইভাবে কোনো স্থাপনা রাজনৈতিকভাবে জঙ্গীদিকের করায়ত্ত হলেও তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণের জন্য আইনগত প্রক্রিয়া অপ্রয়োজনীয় হয়ে যায় না। বরং তৎকালীন কতৃপক্ষের বিচারের রাস্তা খুলে যায় জঙ্গীদের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের সাথে নীরবে আপোষ করার দায়ে।

    ৪. অনুচ্ছেদ ৪৩: ঘর শুধু ইট-পাথর নয়

    সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদ নাগরিকের ঘরকে সুরক্ষার আওতায় এনেছে। আইনসঙ্গত ও যুক্তিসঙ্গত সীমাবদ্ধতার বাইরে নাগরিকের বাসস্থানে প্রবেশ, তল্লাশি ও জব্দের বিরুদ্ধেও সাংবিধানিক সুরক্ষা রয়েছে। তাই কোনো বাড়িতে প্রবেশ, তল্লাশি, দখল বা ধ্বংস এসবকে নিছক রাজনৈতিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। সেখানে ধানমণ্ডি-৩২ বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পথিকৃৎ। সেখানে বিচারের কড়া ব্যবহারই ভবিষ্যতে বাংলাদেশের মানুষ দেখবে।

    প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেখতে হবে, আইন কী বলছে এবং রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ কী ক্ষমতা প্রয়োগ করেছে।

    ৫. তাহলে কি ধানমন্ডি ৩২ ভাঙা মানেই সংবিধান লঙ্ঘন?

    এখানে আবেগ নয়, আইনই শেষ কথা। এটুকু নিশ্চিতভাবে বলা যায়, আইনগত কর্তৃত্ব ছাড়া কোনো সম্পত্তি বা স্থাপনা ধ্বংস করা হলে সেখানে গুরুতর সাংবিধানিক ও ফৌজদারি আইনি প্রশ্ন তৈরি হয়। সেখানে আক্রমণকারী এবং আক্রমণে উস্কানীদাতা প্রত্যকেই ফৌজদারি অপরাধী এবং বিচারের পথিক। আর যদি কোনো রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ সরাসরি এমন কাজে যুক্ত থাকে, তাহলে প্রশ্ন আরও গুরুতর হয় কারণ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বই হলো আইন প্রয়োগ করা, আইন ভেঙে উদাহরণ সৃষ্টি করা নয়।

    ৬. সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদও ভুলে গেলে চলবে না

    সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদে প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব হিসেবে সংবিধান ও আইন মানা এবং সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ নাগরিকের স্বাধীনতা যেমন আছে, তেমনি দায়িত্বও আছে।

    রাজনৈতিক ক্ষোভ প্রকাশের অধিকার থাকতে পারে। প্রতিবাদের অধিকার থাকতে পারে। সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের অধিকার থাকতে পারে। কিন্তু এসব অধিকারের অর্থ এই নয় যে কারও সম্পত্তি ধ্বংস করা, অগ্নিসংযোগ করা বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকারও সৃষ্টি হয়েছে। আর সংবিধান মোতাবেক রাষ্ট্রের বিশেষ স্থাপনার রক্ষণাবেক্ষণ তৎকালীন সরকারের দায়িত্ব। এখানে ভঙ্গুর দশাও তাদেরকে আইনের মুখে ফেলে।

    ৭. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ- অনুচ্ছেদ ২৪: ঐতিহাসিক স্থাপনার প্রশ্ন

    ধানমন্ডি ৩২-এর ঘটনা আরও একটি সাংবিধানিক প্রশ্ন সামনে আনে। সংবিধানের ২৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রকে বিশেষ শৈল্পিক বা ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন স্মৃতিস্তম্ভ, বস্তু বা স্থানকে বিকৃতি, ক্ষতি বা অপসারণ থেকে রক্ষার জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ধানমন্ডি ৩২-এর ঐতিহাসিক মর্যাদা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক নেই। বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক দৃঢ়তায় এই বাড়ি থেকে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা অর্জনের পাথেয় জন্ম নেয়। আওয়ামী লীগের শাসন নিয়ে তীব্র সমালোচনাও থাকতে পারে। থাকতে পারে বহুবিধ তত্ত উপাত্ত্বের সাংঘর্ষিক অবস্থান। কিন্তু ধানমন্ডি-৩২ বাংলাদেশের জন্মবাড়ি। এখানে আঘাত সংবিধানের দিকে কদর্যতা ছুড়ে দেয়া যা চূড়ান্ত দেশদ্রোহীতা। দেশদ্রোহিতা শাস্তি মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত সংবিধান রায় দেয়।

    কিন্তু ইতিহাসের সঙ্গে জঙ্গীবাদের মতপার্থক্য মেটানোর পদ্ধতি যদি হয় ইতিহাসের বস্তুগত স্মারক ধ্বংস করা, তাহলে সেটি কেবল একটি ভবনের ক্ষতি নয়; এটি একটি জাতির ঐতিহাসিক স্মৃতি সংরক্ষণের প্রশ্নও। এর দায় থেকে নিস্তার নেই।

    ইতিহাসকে আদালতে বিচার করা যায়। ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করা যায়। রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে প্রত্যাখ্যান করা যায়। মূর্তি, ভাস্কর্য, স্মৃতিস্তম্ভ কিংবা স্থাপনা নিয়ে রাষ্ট্রীয় নীতি পরিবর্তন করা যায়, কিন্তু ধ্বংস করা যায়না। এমনকি ধ্বংসাত্মক উন্মুখতা বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করায়। আইনের বাইরে গিয়ে ধ্বংস করে দেওয়া আর আইনসম্মতভাবে কোনো স্থাপনার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।

    ৮. সংবিধান আপর্শকাতর বিষয়ে কি বলছে?

    এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার করা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশের সংবিধানের ৭A অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কেউ বলপ্রয়োগ বা অন্য অসাংবিধানিক উপায়ে সংবিধান বাতিল, স্থগিত বা এর কোনো বিধানকে ধ্বংস করার চেষ্টা করলে সেটি রাষ্ট্রদ্রোহ হিসেবে গণ্য হবে; একই সঙ্গে এমন কাজে প্ররোচনা, সমর্থন বা অনুমোদনের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ৭A(৩)-এ বলা হয়েছে, এই অপরাধে বিদ্যমান আইনে অন্যান্য অপরাধের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ শাস্তি প্রযোজ্য হবে; এমনকি মৃত্যুদণ্ডও হতে পারে।

    ৯. ধানমন্ডি ৩২ নিয়ে আইনি প্রশ্ন আজও কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    কারণ ভবনটি এখন প্রায় ধ্বংসস্তূপ। কিন্তু ঘটনাটি যে প্রশ্ন রেখে গেছে, সেটি এখনও জীবন্ত। ২০২৬ সালের আগস্টে ধানমন্ডি ৩২-এর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার আবেদন একটি ঢাকার আদালত খারিজ করেছে; আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৩ ধারায় অভিযোগটি এগিয়ে নেওয়ার মতো পর্যাপ্ত ভিত্তি পায়নি বলে রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে। অথচ সমস্ত তথ্য উপাত্ত এবং জঙ্গীদের স্পষ্ট ফুটেজ রয়েছে। তারপরেও বর্তমান বিএনপি সরকার এটাকে পুরোপুরি রাজনৈতিকভাবে আদালতকে প্রভাবিত করেছে। অর্থাৎ, ভবিষ্যতে বাংলাদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হলে বিএনপিকে এই মৌন সমর্থনের জন্যেও বিচারের মুখোমুখি হতেই হবে এটা বলা যায় নির্দ্বিধায়।

    আইনের শাসনের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য এখানেই। একই আইন বন্ধু ও শত্রু, ক্ষমতাবান ও দুর্বল, সংখ্যাগরিষ্ঠ ও সংখ্যালঘু সবার জন্য সমান হওয়ার কথা।

    শেষ কথাঃ আজ ঐতিহাসিক ধানমন্ডি-৩২, কাল কার বাড়ি?

    মহামহিম ধানমন্ডি ৩২-এর ধ্বংসস্তূপের সামনে দাঁড়িয়ে তাই আমাদের প্রশ্ন হওয়া উচিত নয় “কে কাকে হারাল?” “কে কার জন্য কবর খুড়ে রাখলো ভবিষ্যতের জন্য?”

    প্রশ্ন রয়ে গেলো, রাষ্ট্র কি আইনের শাসনকে জিতিয়েছে, নাকি একাত্তরের পরাজিত জঙ্গীদের পরাজিত প্রতিশোধকে? আরো একবার!

    বাংলাদেশের সংবিধান আমাদের যে শিক্ষা দেয়, তা খুব সরলঃ কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়।জনতাও নয়। সরকারও নয়। রাজনৈতিক দলও নয়। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানও নয়। বরং রাজনৈতিক বয়াণে জঙ্গীদের পৃষ্ঠপোষকতাও দেশদ্রোহিতা। এখানে বিএনপি-জামায়াত আর ইউনুসের শাস্তি বিচারিক আদালতে উন্মুক্ত। সময় নির্ধারণ করবে এই বিচারের ভবিষ্যৎকে।

    ধানমন্ডি ৩২-এর ভবন হয়তো আর আগের জায়গায় ফিরবে না। কিন্তু ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে একটি প্রশ্ন এখনও উঠে আসছে, “যে রাষ্ট্র সংবিধানকে সর্বোচ্চ আইন বলে স্বীকার করেছে, সেই রাষ্ট্রেরই জন্মবাড়ি ভবন ভাঙার মূহুর্তে আইন কোথায় ছিল?” এই প্রশ্নের উত্তর শুধু ধানমন্ডি ৩২-এর জন্য নয়। এই উত্তর প্রয়োজন বাংলাদেশের আগামী দিনের আইনের শাসন, নাগরিক অধিকার এবং গণতন্ত্রের জন্য।

    বাংলাদেশের জন্মবাড়ি ভাঙার দায়ে সকল জঙ্গীদের একদিন বাংলার উর্বর মাটিতে দৃষ্টান্তমূলক বিচার হবেই হবে। এই-ই প্রত্যায়িত তন্নিষ্ঠ প্রাকৃতিক বিচার। এখান থেকে একচুল মুক্তি নেই কারো।

    আদিত্য প্রতাপ ঘোষ
    লেখক, ব্লগার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Telegram Email WhatsApp Copy Link
    Leave A Reply Cancel Reply

    শীর্ষ খবর

    ধানমন্ডি ৩২ঃ ইট-পাথর ভাঙার চেয়েও বড় যে সাংবিধানিক প্রশ্ন

    September 1, 202683,751

    ‘অবজ্ঞা’ কি মাত্রা ছাড়িয়ে গেল? বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর স্থগিত ভারত সফরের নেপথ্যে কী?

    August 25, 202679,862

    ছয় মাসেই জনআস্থার শূন্যে বিএনপি

    August 18, 202675,967

    ভারতে শেখ হাসিনার নিরাপত্তায় নজিরবিহীন সুরক্ষাবলয়; ‘প্রেসিডেন্ট প্রোটোকল’ সমমানের নিরাপত্তা- তদারকিতে অজিত দোভাল

    August 4, 202669,439
    ব্রেকিং নিউজ
    ব্রেকিং

    ধানমন্ডি ৩২ঃ ইট-পাথর ভাঙার চেয়েও বড় যে সাংবিধানিক প্রশ্ন

    September 1, 202683,751

    সম্পাদকীয় কলাম সংবিধান লঙ্ঘনের শাস্তি কি মৃত্যুদণ্ড? ধানমন্ডি ৩২-এর ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে এবার প্রশ্ন আইন কোথায়?…

    টাইমস স্কয়ারে রক্তাক্ত হামলা: ছুরিকাঘাতে নারী নিহত; পুলিশের গুলিতে ‘হামলাকারী’ও নিহত

    September 1, 2026

    নেপাল-তিব্বতে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধস: প্রাণহানি হাজার ছাড়াল, নিখোঁজ ৪ হাজার ৪৬২

    September 1, 2026

    ট্রাম্পের ‘আবদার’ রাখতে ১৪ বোয়িং কিনছে বাংলাদেশ; লিজে আসছে আরও বিমান: এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত

    September 1, 2026
    অনুসরণ করুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Pinterest
    • Instagram
    • YouTube
    • Vimeo
    আবহাওয়া
    Powered by Tomorrow.io
    নামাজের সময়
    আমাদের সম্পর্কে
    আমাদের সম্পর্কে

    আমারদেশ২৪.নিউজ একটি বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য অনলাইন সংবাদমাধ্যম, যা দ্রুত সময়ে সঠিক ও সর্বশেষ খবর পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেয়। আমরা আপসহীন সাংবাদিকতার মাধ্যমে সমাজের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করি।

    নিরপেক্ষতা, সত্য ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমরা বিশ্বাস করি, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাই একটি সচেতন সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    যোগাযোগ

    ইমেইল: admin@amardesh24.news

    ঠিকানা: বাড়ি-১৩/বি, রোড – ৮, লেক সাইড, বারিধারা ডিওএইচএস, ঢাকা, বাংলাদেশ

    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
    মেনু
    • আন্তর্জাতিক সাক্ষ্য
    • খেলাধুলা
    • জাতীয় সাক্ষ্য
    • টেক নিউজ
    • পডকাস্ট
    • বিদেশী মিডিয়ার হাইলাইটস
    • বিনোদন
    • ব্রেকিং
    • যুদ্ধ
    • শীর্ষ
    © amarDesh24.news. All rights reserved.
    • সকল খবর
    • যোগাযোগ
    • লগইন
    • অ্যাকাউন্ট
    • ড্যাশবোর্ড

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    Sign In or Register

    Welcome Back!

    Login to your account below.

    Lost password?