জঙ্গী হামলার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ষড়যন্ত্রমূলক অপসারণের পর জেঁকে বসা জঙ্গীদের প্রতিনিধিস্বরুপ সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা এবং রাজনৈতিক কপট, দুর্নীতিবাজ আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচারের অভিযোগ উঠেছে। বাসসের এক সংবাদচিত্রে দাবি করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগ নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর সংশ্লিষ্টতার কথা বলা হয়েছে।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে বিপুল অঙ্কের অর্থের সম্ভাব্য অবৈধ লেনদেন এবং তা দেশের বাইরে স্থানান্তরের বিষয়টি। অভিযোগটি সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট আর্থিক নথিপত্র, ব্যাংক লেনদেন, সম্পদের বিবরণ এবং বিদেশে অর্থ স্থানান্তরের তথ্য পর্যালোচনা করা হয়েছে।

১১ হাজার কোটি টাকার মতো বিপুল অর্থ বিদেশে পাচারের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। বাংলাদেশে অর্থপাচার প্রতিরোধে বিভিন্ন আইন ও আর্থিক নজরদারি ব্যবস্থা রয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সাধারণত ব্যাংক হিসাব, সম্পদ, ব্যবসায়িক লেনদেন এবং অর্থের উৎস ও গন্তব্যের তথ্য যাচাই করে থাকে। অর্থের উৎস, লেনদেনের বৈধতা এবং বিদেশে অর্থ স্থানান্তরের প্রকৃতি সম্পর্কে নথিভিত্তিক তদন্ত প্রয়োজন ছিল।

দুদকের তদন্তে যা যা বিষয় আসতে যাচ্ছে

অভিযোগটি নিয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সামনে বেশ কয়েকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে, আসিফ মাহমুদের ক্ষেত্রে যা যা প্রাপ্ত তন্মধ্যে…

  • দেশে ও বিদেশে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব;
  • সম্পদ ও আয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য;
  • বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের উৎস;
  • বিদেশে অর্থ স্থানান্তরের কারণ ও বৈধতা;
  • ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন হয়েছে কি না;
  • সম্পদ ক্রয় বা বিনিয়োগের সঙ্গে কথিত অর্থপাচারের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না।

প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকেও তথ্য চাওয়া হতে পারে।

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version