চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য বরাদ্দ করা সরকারি আমন ধানের বীজ মাদ্রাসার একটি তালাবদ্ধ কক্ষে মজুত করে রাখার ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে সরকারি কৃষি সহায়তার স্বচ্ছতা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে। উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার পরিচালিত মাদ্রাসা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১৩ বস্তা সরকারি ধানের বীজ।
বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের জামেউল উলুম মাদ্রাসা পরিদর্শনে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বায়েজিদ-বিন-আকন্দ। মাদ্রাসার সুপারের কার্যালয়ের পাশে একটি কক্ষ তালাবদ্ধ দেখতে পেয়ে তিনি সেটি খোলার নির্দেশ দেন। পরে কক্ষ খুলতেই ভেতরে পাওয়া যায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য বরাদ্দ করা সরকারি আমন ধানের বীজের বস্তা।
মাদ্রাসাটির ভারপ্রাপ্ত সুপার বা অধ্যক্ষের দায়িত্বে থাকা শামসুল ইসলাম হেলালী চরম্বা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির। সরকারি সহায়তার বীজ কৃষকের হাতে পৌঁছানোর কথা থাকলেও তা মাদ্রাসার বন্ধ কক্ষে পড়ে থাকার ঘটনায় স্থানীয়ভাবে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাজী শফিউল ইসলাম জানান, প্রায় ২০ দিন আগে সরকারি আমন বীজ কৃষকদের বিনামূল্যে বিতরণের জন্য দেওয়া হয়েছিল। চরম্বা ইউনিয়ন উপজেলা সদর থেকে দূরে হওয়ায় কৃষকদের দুজন প্রতিনিধির মাধ্যমে বীজ পাঠানো হয়েছিল। তবে সেই বীজের একটি অংশ কৃষকদের কাছে না গিয়ে মাদ্রাসায় কীভাবে পৌঁছাল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে


