সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ না নেওয়া এক নারীর নাম চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পাওয়ার ঘটনায় সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এক পরীক্ষার্থী।
সোমবার এ বিষয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন পরীক্ষার্থী সুলতান আহমেদ।
গত ২৬ জুলাই জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে তথ্য সংগ্রহকারী পদে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের (নয়াগাঁও) পদে আবেদনকারী সুলতান আহমেদ ও বিউটি বেগম পরীক্ষায় অংশ নেন।
কিন্তু রোববার প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় দেখা যায়, পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ওই দুই প্রার্থীর কাউকেই নির্বাচিত করা হয়নি। বরং ‘জুলি বেগম’ নামে এক নারীর নাম ৪৩ নম্বর ক্রমিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, ওই নারী লিখিত বা মৌখিক কোনো পরীক্ষাতেই অংশ নেননি।
এ ঘটনায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। পরীক্ষায় অংশ না নেওয়া একজন কীভাবে চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পেলেন।
সুলতান আহমেদ বলেন, নিয়ম মেনে আবেদন করে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পরও তাদের বাদ দিয়ে পরীক্ষায় অংশ না নেওয়া একজনের নাম চূড়ান্ত তালিকায় আসা অত্যন্ত অন্যায়। তিনি ঘটনার তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং যোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানান।


