দীর্ঘ ২৩ বছর পর ইরাক থেকে নিজেদের সব সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশটিতে থাকা সব বিদেশি সেনা প্রত্যাহার করা হবে বলে জানিয়েছে ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। ফলে ১ অক্টোবর থেকে ইরাকের মাটিতে কোনো বিদেশি সেনা থাকবে না।
২০০৩ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ইরাকে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর দেশটিতে দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বজায় ছিল। বিশেষ করে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) উত্থানের পর সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে মার্কিন সেনাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকে।
তবে বর্তমানে ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনী দেশটির সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে নিজস্ব সক্ষমতায় অভিযান পরিচালনা করতে পারছে বলে জানিয়েছে পেন্টাগন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইরাক ও যুক্তরাষ্ট্র এখন সামরিক উপস্থিতির পরিবর্তে নিরাপত্তা সহযোগিতা, অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও পারস্পরিক অংশীদারত্ব জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।
ইরাকি সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিদেশি সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন হলে ১ অক্টোবর থেকে ইরাকে আর কোনো বিদেশি সেনা অবস্থান করবে না। এর মধ্য দিয়ে ২০০৩ সালে শুরু হওয়া মার্কিন সামরিক উপস্থিতির দীর্ঘ অধ্যায়ের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে।


