ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে নিখোঁজের তিন দিন পর মীম (৭) নামে এক শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার সকালে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ ছিল শিশুটি। সোমবার বিকেলে একটি পুকুরের ঝোপের আড়াল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মীম উপজেলার বিদ্যাকুট ইউনিয়নের বিদ্যাকুট গ্রামের মিজানুর রহমানের মেয়ে।
স্বজনদের ভাষ্য, গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে নানাবাড়ি যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয় মীম। এরপর আর বাড়িতে ফেরেনি সে। পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
এরই মধ্যে সোমবার বিকেলে বিদ্যাকুট বড়বাড়ির পুকুরপাড়ের ঝোপে স্থানীয়রা শিশুটির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। মরদেহটি অর্ধগলিত অবস্থায় ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনাটি নিছক নিখোঁজের পর মৃত্যু, নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড- তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শিশুটি কীভাবে সেখানে পৌঁছাল, কারা তাকে সেখানে নিয়ে গিয়েছিল এবং মৃত্যুর পেছনে কী কারণ রয়েছে- এসব বিষয় খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।


