বরিশালে ‘বোমা’ বিস্ফোরণের ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ গৃহবধূ হনুফাকে শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি। বিস্ফোরণের পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হঠাৎ বিস্ফোরণের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহত হনুফাকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
তবে বিস্ফোরণে শরীরের বিভিন্ন অংশ গুরুতর দগ্ধ হওয়ায় তাঁর অবস্থার অবনতি হতে থাকে। চিকিৎসকদের প্রচেষ্টার পরও শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে ‘বোমা’ বিস্ফোরণ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও বিস্ফোরণটি কীভাবে ঘটেছে, সেখানে কী ধরনের বিস্ফোরক ছিল এবং এর পেছনে কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না- এসব বিষয় এখনো স্পষ্ট নয়।
ঘটনাটি দুর্ঘটনা, নাকি পরিকল্পিতভাবে বিস্ফোরক রাখা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ ও ঘটনার সঙ্গে কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তদন্তের মাধ্যমে তা বেরিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হনুফার মৃত্যুর ঘটনায় স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। একজন গৃহবধূর এভাবে বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায়ও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কীভাবে বিস্ফোরণটি ঘটল এবং এর পেছনে কী কারণ ছিল-তা দ্রুত তদন্ত করে প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


