ইউনিসেফের সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ বলছে, নতুন করে আরও প্রায় ১২ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে রয়েছে। তবে কেবল আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিই নয়, দেশের অভ্যন্তরীণ নীতি, বাজার ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক সক্ষমতাও সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে উঠেছে। চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, শাকসবজি, মাছ ও মাংসের উচ্চমূল্যের কারণে অনেক পরিবার প্রয়োজনীয় খাদ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে হিমশিম খাচ্ছে। শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যয়ও অনেকের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
সরকারের কার্যকর বাজার তদারকি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বাস্তবায়নে ঘাটতি থাকলে সংকট আরও তীব্র হতে পারে। একই সঙ্গে তারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও সন্ত্রাস দমনে আরও কার্যকর উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরছেন। তাদের মতে, এসব সমস্যার প্রভাব ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সাধারণ মানুষের আস্থার ওপরও পড়ে।
ইউনিসেফ সতর্ক করেছে, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে দারিদ্র্য বৃদ্ধি, শিশু অপুষ্টি এবং শিক্ষা থেকে ঝরে পড়ার মতো সমস্যা আরও বাড়তে পারে। বাজার ব্যবস্থাপনা জোরদার, সামাজিক নিরাপত্তা সম্প্রসারণ, দুর্নীতি দমন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।


