এক উত্তাল সময়ে বিপজ্জনক নজির২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ (আ.লীগ) নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত জাতির রাজনৈতিক যাত্রায় এক সংকটময় অধ্যায়। সাম্প্রতিক বছরগুলিতেশাসনব্যবস্থা নিয়ে ন্যায্য সমালোচনা থাকলেও, আওয়ামী লীগ একটি দল যা ঐতিহাসিক গুরুত্ব,সাংবিধানিক বৈধতা এবং বৃহৎ গণভিত্তি বহন করে। তাদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা আসলেসেই গণতান্ত্রিক আদর্শকেই ধ্বংস করে যা পুনরুদ্ধারের দাবিতে বিপ্লব সংঘটিত হয়। আইনি ও নৈতিকউভয় দিক থেকেই এই নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা এবংগণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার মৌলিক নীতিকে হুমকির মুখে ফেলে। ১. আইনি ও সাংবিধানিক লঙ্ঘনআওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় আইনের পরিপন্থী। বাংলাদেশের সংবিধানরাজনৈতিক সমিতি ও অংশগ্রহণের অধিকার (অনুচ্ছেদ ৩৭,…
Author: Desk Report
— বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বিবৃতিড. ইউনূস এবং কিছু বিদেশি মহলের ঘোষণাটি সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক, অসাংবিধানিক, রাষ্ট্রবিরোধী এবংজঙ্গি-সহায়ক। এটি বাংলাদেশের সংবিধান ও রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বকে সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করেছে।ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ঘোষণা করছে যে, তাদের সকল কার্যক্রম চলবেসংবিধান, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের আলোকে। এ ধরনের ঘোষণা কেবল অসাংবিধানিক ওআইনবহির্ভূতই নয়, এটি জনগণের রায় ও সার্বভৌমত্বেরও পরিপন্থী। এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্র ওমর্যাদার ওপর সরাসরি আঘাত। আমাদের রাজনৈতিক দর্শনে এমন ষড়যন্ত্রকে সমর্থন বা সহনশীলতারকোনো স্থান নেই।বাংলাদেশের জাতীয় চেতনার বিকাশ ও একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠায়আওয়ামী লীগের অবদান অনস্বীকার্য। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলারমানুষ নিরঙ্কুশভাবে তাঁকে…
— বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বিবৃতিপ্রেস বিজ্ঞপ্তি | অসাংবিধানিক ও অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী এবং জঙ্গিগোষ্ঠীর পৃষ্ঠপোষক ড. ইউনূসের নেতৃত্বেতথাকথিত অস্থায়ী সরকার বাংলাদেশের জন্মদাতা রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সকলকার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে অসাংবিধানিক, বেআইনি ও অন্যায়ভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। এটি শুধুঅসাংবিধানিক, বেআইনি বা অন্যায় নয়—এটি জনগণের অভিপ্রায়ের বিরুদ্ধে গৃহীত এক সিদ্ধান্ত, যাগোটা জাতিকে বিস্মিত করেছে। দেশপ্রেমিক প্রতিটি মানুষ এই বর্বর কর্মকাণ্ডে স্তম্ভিত হয়েছে।এরকম এক অসভ্য সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নিন্দা ও ঘৃণা প্রকাশ করার ভাষা আমাদের নেই।বাংলার জাতি গঠনে এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় আওয়ামী লীগের অবদান অনস্বীকার্য। বলা যায়,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের হাত ধরেই বাংলাদেশের জন্মহয়েছে।…
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কথা বললেই আওয়ামী লীগ ও ফ্যাসিস্টের ‘দোসর’ বলে তকমা দেওয়া, সামাজিক মাধ্যমে হেনস্তা, এমনকি ব্যক্তিগত আক্রমণের অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে বিতর্ক, মুক্তিযুদ্ধের ম্যুরাল বা ভাষ্কর্য – এমনকি জাদুঘরের ওপর হামলার মতো বেশ কিছু ঘটনাও ঘটেছে। আওয়ামী লীগের শাসনের পতনের পর থেকে দলটির সঙ্গে ‘৭১কে মিলিয়ে স্বাধীনতাযুদ্ধকেই বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে কি না, এমন প্রশ্ন তুলছেন নাগরিক অধিকার নিয়ে সরব ও বিশ্লেষকদের অনেকে। সবশেষ ঢাকায় মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে একটি আলোচনা সভায় ‘মব’ সৃষ্টি করে যাদের হেনস্তা করা হয়েছে, তাদেরই নানা ধরনের ট্যাগ দেওয়া এবং মামলা দিয়ে জেলে পাঠানোর ঘটনা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। রাজনীতিকদেরও কেউ কেউ…

