সিলেটে হিন্দু তরুণ চিকিৎসক পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্তের মৃত্যুর ১১ দিন পর তাঁর বাবা পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরপর বাবা-ছেলের এমন মৃত্যু ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে মৌলভীবাজার শহরের এম সাইফুর রহমান সড়কে ভটের ফার্মেসির দ্বিতীয় তলায় নিজ বাসা থেকে পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি ওই ভবনেই থাকতেন এবং ফার্মেসি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা তাঁর কোনো সাড়া না পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁর ছেলে চিকিৎসক পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্তের মৃত্যুর পর তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে থাকতে পারেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এর আগে ৭ সেপ্টেম্বর সিলেট নগরের মির্জাজাঙ্গাল এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ৩১ বছর বয়সী চিকিৎসক পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্তের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। স্ত্রীকে নিয়ে নতুন বাসায় ওঠার পরদিনই তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশ সে সময় প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিল।
মাত্র ১১ দিনের ব্যবধানে বাবা-ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তবে দুই মৃত্যুর মধ্যে কোনো প্রত্যক্ষ যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো তদন্তে নিশ্চিত হয়নি। পুলিশ বলছে, তদন্ত ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।


