পুলিশ কর্মকর্তা মনোজ কান্তি দাসের নিথর দেহ তাঁর নিজ বাসভবন থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই ২০২৬) এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সহকর্মী, স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সারাদিন মনোজ কান্তির কোনো সাড়া না পেয়ে স্বজনদের সন্দেহ হয়। পরে তাঁরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস এসে ঘরের দরজা ভেঙে মেঝে থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে তিনি ঘুমের মধ্যে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। গত বছর সড়ক দুর্ঘটনায় তাঁর স্ত্রী মারা যান। এরপর থেকে তিনি ওই বাসার দ্বিতীয় তলায় একাকী থাকতেন এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা আলাদা তলায় থাকতেন।
তিনি সম্প্রতি মৌলভীবাজারে কর্মরত অবস্থায় পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) পদ থেকে অবসরে যান এবং আগামী ১ আগস্ট থেকে তাঁর অবসরোত্তর ছুটিতে (পিআরএল) যাওয়ার কথা ছিল।
ঘটনার পরপরই মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মীরা মনোজ কান্তি দাসের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মৃত্যুর পেছনে কোনো রহস্য বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


