২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বিনা মূল্যের পাঠ্যবই ছাপানোর টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিএনপি সরকারের আমলে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) টেন্ডারে প্রতি ফর্মার মূল্য ৩০ পয়সা বাড়িয়ে সরকারের প্রায় ৩০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে এনসিটিবি।
২০২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রতি ফর্মার সর্বোচ্চ মূল্য ছিল ৩ টাকা ১০ পয়সা। কিন্তু ২০২৭ সালের ই-টেন্ডার চলাকালে তা বাড়িয়ে ৩ টাকা ৪০ পয়সা করা হয়। তাদের মতে, প্রায় এক হাজার কোটি ফর্মা বই মুদ্রণের কারণে এই মূল্যবৃদ্ধিতে অতিরিক্ত প্রায় ৩০০ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।
এনসিটিবির সাবেক এক চেয়ারম্যান নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, টেন্ডার লাইভে থাকা অবস্থায় প্রাক্কলিত মূল্য পরিবর্তন করা বিধিবহির্ভূত। তিনি বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির এক শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, পাঠ্যবই ছাপানোর পুরো প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন স্তরে অনিয়ম ও অতিরিক্ত আর্থিক চাপ রয়েছে। এসব কারণে অনেক সময় নিম্নমানের কাগজ ব্যবহার করতে বাধ্য হন ছাপাখানার মালিকরা। বাজারমূল্যের তুলনায় বেশি দামে কাগজ কেনার জন্য ছাপাখানাগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এটা বিএনপির নিজেদের লোকেদের পকেট ভারি করতেই এমন উদ্যোগ। এ ধরনের সিদ্ধান্তের ফলে অর্থের অপচয় বাড়ছে।


