টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ঘরে ঢুকে নির্যাতন ও ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দরানিপাড়া গ্রামের ওই নারী গত বুধবার রাতে তাঁর ১২ বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে ছিলেন। এ সময় প্রতিবেশী আরিফ নামে এক যুবক জোরপূর্বক ঘরে প্রবেশ করে তাঁকে মারধর করে এবং ধর্ষণের পর পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত অবস্থায় ওই নারীকে প্রথমে মির্জাপুরের কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই নারী নিজের ওপর চালানো নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। শনিবার ময়নাতদন্ত শেষে তাঁর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং পরে দাফন সম্পন্ন হয়।
নিহতের স্বামী মালয়েশিয়া প্রবাসী। স্ত্রীর মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি দেশে ফিরে আসেন। পরে তিনি অভিযুক্ত আরিফকে একমাত্র আসামি করে মির্জাপুর থানায় ধর্ষণ ও হত্যা-সংক্রান্ত অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


