রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) এক ছাত্রীকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিরোধ এখন রূপ নিয়েছে বড় ধরনের সংঘাতে। প্রক্টর কার্যালয় থেকে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার পর্যন্ত সংঘটিত মারধরের ঘটনায় আহত দুই শিক্ষার্থীকে পরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কথিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। একই সঙ্গে পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে ‘মব ভায়োলেন্স’-এর অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্ত ও জড়িতদের শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন। পরিস্থিতি সামাল দিতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
গ্রেপ্তার হওয়া দুই শিক্ষার্থী হলেন ইতিহাস বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. আনাস এবং মাহমুদুল হাসান। তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান জানান, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ে পূর্বে দায়ের হওয়া একটি মামলায় তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, তারা নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় অভিযুক্ত।


