নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শিক্ষিকার বাবা কামাল উদ্দিনকে (৫৫) গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে বিক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা। গত বুধবার সকালে উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে ওই দিন রাতেই ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বাদী হয়ে চরজব্বর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে ভুক্তভোগী ছাত্রী প্রতিদিনের মতো তার শিক্ষিকার বাড়িতে প্রাইভেট পড়তে যায়। সেখানে গিয়ে সে দেখে শিক্ষিকা বাড়িতে উপস্থিত নেই। এই সুযোগে শিক্ষিকার বাবা কামাল উদ্দিন কৌশলে ওই ছাত্রীকে ঘরের ভেতর ডেকে নেন এবং একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। ঘটনা ধামাচাপা দিতে এবং বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য কামাল উদ্দিন ওই ছাত্রীকে ৫০০ টাকা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেন। তবে বাড়ি ফিরে ভুক্তভোগী কিশোরী কান্নাজড়িত কণ্ঠে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি বিস্তারিত জানায়।
ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ওই দিন সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় জনতা কামাল উদ্দিনকে আটক করে গাছে বেঁধে গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত কামাল উদ্দিনকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়।
এ বিষয়ে চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান জানান, ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। উক্ত মামলায় কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী ছাত্রীর শারীরিক ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


