মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাত আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। টানা ষষ্ঠ দিনের মার্কিন হামলার পর সিরিয়ার আল-তানফে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ অভিযান কমান্ড সেন্টারসহ বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইরান।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২২ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় দেশটিতে অন্তত ৩৮ জন নিহত এবং ৪০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করতে আইআরজিসি ও নৌবাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনায় নির্ভুল হামলা চালানো হয়েছে। তবে তেহরানের অভিযোগ, এসব হামলায় বেসামরিক অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ায় হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৪.৯৩ ডলারে পৌঁছেছে।
এদিকে চীন ও পাকিস্তান অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরানকে আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানিয়েছে। পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা ও বিশ্ব অর্থনীতিতে আরও বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)।


