জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি খালিলুর রহমানের অফিসে ‘লিগ্যাল অফিসার’ হিসেবে জাইমা রহমানের নিয়োগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রশ্ন উঠেছে। একটি প্রচারিত তথ্যচিত্রে তার পেশাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা নিয়ে কয়েকটি প্রশ্ন তুলে ধরা হয়েছে।
তথ্যচিত্রটিতে দাবি করা হয়েছে, জাইমা নিজেকে ‘ব্যারিস্টার’ হিসেবে পরিচয় দিলেও ব্যারিস্টার রেজিস্টারে তার নাম নেই, ২০২২ সালের পর কোনো ল’ ফার্মে কাজ করেননি এবং চলতি বছরের শুরুতে তিনি লিগ্যাল সেক্রেটারির পার্টটাইম চাকরি খুঁজছিলেন।
এতে আরও দাবি করা হয়েছে, ‘সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস’-এ কাজের অভিজ্ঞতার কথাও উল্লেখ করা হলেও বাংলাদেশে তার আইনজীবী হিসেবে লাইসেন্স নেই এবং সংশ্লিষ্ট ল’ ফার্মের ওয়েবসাইটে তার নাম নেই।
অন্যদিকে, লিগ্যাল অফিসার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার বিষয়টিও প্রশ্নের মুখে পড়েছে বলে ওই তথ্যচিত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, আগের কোনো প্রেসিডেন্টের দপ্তরে ‘লিগ্যাল অফিসার’ পদ ছিল না এবং পূর্ববর্তী লিগ্যাল অ্যাডভাইজারদের আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ে অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘ পেশাগত ক্যারিয়ার ছিল।
এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে জাতিসংঘের নিয়োগসংক্রান্ত নথি, জাইমা রহমানের পেশাগত রেকর্ড এবং সংশ্লিষ্ট বার কর্তৃপক্ষের তথ্য আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। জাতিসংঘেও বিএনপির স্বজনপ্রীতি অযোগ্যর অর্থবহতা নির্দেশ করছে।


